নিম-বেগুন রেসিপি

in hive-129948 •  2 months ago 
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

আজকে আপনাদের সাথে একটা রেসিপি শেয়ার করে নেবো। আজকে আমি নিম-বেগুন রেসিপি তৈরি করেছি। আর এই নিম-বেগুন রেসিপিটি আমি মৌরলা মাছ দিয়ে করেছি। নিমের পুরো অংশটায় বিভিন্ন কাজে লাগে। নিম এর যেকনো কিছু খাওয়া মানে আমাদের শরীরে ওষধের কাজ করে থাকে। নিমের পাতা, ফল, ফুল, বাকল ইত্যাদি পুরোপুরি ভাবে মেডিসিনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আমরা সাধারণত নিমের পাতাটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খাওয়ার কাজে ব্যবহার করে থাকি। নিমের পাতা কিন্তু গুঁড়ো করে অন্যান্য ভাজা জাতীয় খাবারের মধ্যেও দিয়ে থাকে। আর নিম এর পাতা এখন গরমের সময় খাওয়া ভালো কারণ তেতো জিনিস যত খাওয়া হবে শরীরের ভিতর বিভিন্ন পয়জানের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে। এটি সবসময় খাওয়া ভালো কিন্তু তেতোর জন্য বেশি একটা খাওয়া যায় না, ভীষণ তেতো লাগে। তবে এতে ছোট মাছ দিয়ে রান্না করে খেলে কিছুটা তেতোর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এই মৌরলা মাছ ছোট হিসেবে একটা দারুন স্বাদের মাছ। এই মাছগুলো চানাচুর ভাজার মতো করে ঝরঝরে ভাজা করে খেতে খুবই টেস্টি লাগে, আর আমি এই মৌরলা মাছ তরকারির থেকে বেশি খাই ভাজাতে। যাইহোক আপনারাও বাড়িতে এইভাবে নিমের পাতা দিয়ে যেকোনো কিছু তৈরি করে খেতে পারেন, শরীরের জন্য ভীষণ লাভদায়ী। এখন আমি এই রেসিপিটার উপকরণের দিকে চলে যাবো।


☫প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ:☫

উপকরণ
পরিমাণ
মৌরলা মাছ
২৫০ গ্রাম
নিম পাতা
পরিমাণমতো
বেগুন
১ টি
সরিষার তেল
৩ চামচ
লবন
২ চামচ
হলুদ
৩ চামচ


মৌরলা মাছ, নিম পাতা, বেগুন


সরিষার তেল, লবন, হলুদ


এখন রেসিপিটি যেভাবে প্রস্তুত করলাম---


✠প্রস্তুত প্রণালী:✠


➤সব মৌরলা মাছগুলোকে প্রথমে ভালো করে কেটে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে ( কেটে রাখার কাজটা অনেক আগেই করে ফ্রিজে রাখা ছিল )। এরপর বেগুনটিকে কেটে পিচ পিচ করে নিয়েছিলাম এবং জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছিলাম।

➤নিমের পাতাগুলো কান্ডগুলো থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম। এরপরে সেগুলো কড়াইতে দিয়ে গরম করে ঝরঝরে মতো করে নিয়েছিলাম।

➤পাতাগুলো ঝরঝরে মতো হয়ে গেলে হাত দিয়ে সব পাতাগুলো মড়িয়ে মড়িয়ে গুঁড়ো করে নিয়েছিলাম। এরপর একটি প্যানে হালকা তেল দিয়ে বেগুনের পিচগুলো ভালো করে ভেজে তুলে নিয়েছিলাম।

➤কেটে রাখা মৌরলা মাছের পিচগুলোতে লবন আর হলুদ দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর মাছগুলোর গায়ে ভালো করে মাখিয়ে নিয়েছিলাম।

➤মৌরলা মাছগুলো সব ভালো করে ভেজে নিয়েছিলাম। এরপর কড়াইতে একটু তেল দিয়ে দিয়েছিলাম এবং পরে তাতে ভাজা বেগুনের পিচগুলো সব দিয়ে দিয়েছিলাম।

➤বেগুনের পিচগুলো দেওয়ার পরে তাতে ভেজে রাখা সব মৌরলা মাছ দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তাতে দিয়ে দিয়েছিলাম সেই নিমের পাতা গুঁড়ো করা অংশটা।

➤নিমের গুঁড়ো এবং ভাজা বেগুনের সাথে মৌরলা মাছ ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে খুবই অল্প সময়ে লো আঁচে একটু রান্না করে নিয়েছিলাম। এরপর আমার নিম-বেগুন এর রেসিপিটি তৈরি হয়ে গেছিলো এবং আমি কড়াই থেকে একটি বাটিতে তুলে নিয়েছিলাম খাওয়ার জন্য।

রেসিপি বাই, @winkles

শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  
নিমপাতা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ঠিকই বলেছেন, নিমের পাতা ছাড়াও নিম গাছের পুরো অংশ্যই আমাদের দেহের কাজে লাগে। নিমের স্বাদ তেতো হলেও এটি গুনে ভরপুর।
নিমপাতা যে তরকারিতে খাওয়া যায় আমার জানা ছিলো না। আজকেই প্রথম দেখলাম নিম পাতার রেসিপি। যাইহোক, আপনি মৌরলা মাছ দিয়ে নিম-বেগুন রেসিপি তৈরি করেছেন। মৌরলা মাছকে আমাদের দেশে মলা মাছ বলে। আমি প্রথমে একটু অবাকই হয়েছি। তবে যাইহোক, আনকমন জিনিস আমার ট্রাই করতে ভালোই লাগে। আজকের রেসিপি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বেশুন আর নিম পাতার সংমিশ্রনে অসাধারণ একটি রেসিপি। আমি অবশ্যই নিম-বেগুন রেসিপি ট্রাই করে দেখবো।
দাদা আপনার রেসিপির লাস্ট ছবিটি দেখে খুবই লোভ হচ্ছে। দেখেই বুঝা যাচ্ছে অনেক মজা হয়েছে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা, এতো সুন্দর রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম দাদা। 💕

দাদা,নিম-বেগুন নামটি শুনেই আমি ভেবেছিলাম ছোট ছোট যে তীত-বেগুন বুনো ভাবে হয় তাই।কিন্তু ভিতরে ঢুকে বুঝলাম আসল নিম পাতার সঙ্গে আসল বেগুন।😊😊ছোটবেলায় নিম পাতা অনেকটা ভেঁজে গুঁড়ো করে মা বোতলে ঢুকিয়ে রেখে দিত।তারপর ভাতের সঙ্গে সরিষার তেল দিয়ে মেখে খেতাম ,বেশ মজার ছিল।আমরা ছোটবেলা থেকে কখনো নিম পাতা ভেঁজে গুঁড়ো ব্যতিত অন্য কোনো তরকারীর মধ্যে দিতে দেখিনি বা খাইনি।তবে যখন শহরে ছিলাম তখন দেখতাম শহরে এটির বেশ চাহিদা গরমের সময় এমনকি বাজারে বিক্রি ও হয়।প্রথমে আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম।যাইহোক এখন বড়ো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম পাতা যেন মুখে দিতেই পারি না আমি।এটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী গরমের দিনে।আমি থানকুনি, ব্রাহ্মনী পাতার তেতো খুব খেতে পারি।তবে হেলেঞ্চা ও নিম পাতা একটু কম খাই।আজ অনেক গুণসম্পন্ন গাছের পাতা ও মাছ রান্না করেছেন দাদা।অনেক সুন্দর হয়েছে রেসিপিটা, ধন্যবাদ আপনাকে।ভালো থাকবেন।

নিম বেগুন রেসিপি দেখে একটু অবাক হয়ে গেলাম। নিমপাতা যে রান্না করা যায় তা আমার জানা ছিল না ভাইয়া। নিম পাতা দিয়ে রান্না করা খাবার তেতোর জন্য কি খাওয়া যাবে ভাইয়া। আমিতো করোলাই তেমন একটা খেতে পারিনা। আর আপনি তো তেতোর যম নিমপাতা দিয়ে মজাদার মৌরোলা মাছ রান্না করেছেন। তবে এই রেসিপি আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী তা বুঝতে পারছি। আমি অবশ্যই একদিন ট্রাই করে দেখব। আমার কাছে এই রেসিপিটি একদমই নতুন একটি রেসিপি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা আমাদের জন্য আরো নতুন নতুন রেসিপি নিয়ে হাজির হবেন। আপনার নতুন রেসিপি দেখার আশায় রইলাম।

আর এই নিম-বেগুন রেসিপিটি আমি মৌরলা মাছ দিয়ে করেছি।

নিম বেগুন রেসিপির নাম দেখেই জিভে জল চলে এসেছে দাদা। আর সাথে যদি হয় মৌরলা মাছ তাহলেতো খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু হয়েছে। মৌরলা মাছ খেতে আমি অনেক পছন্দ করি। নিম বেগুনের সাথে মৌরলা মাছের দারুন রেসিপি তৈরি করেছেন দাদা। এছাড়া নিম পাতা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। আপনার তৈরি করা ইউনিক সব রেসিপি গুলো এতই লোভনীয় যে দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে। আপনার রন্ধনপ্রণালী আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে দাদা। অনেক দক্ষতার সাথে আপনি আপনার রন্ধনপ্রণালী আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেন। মৌরলা মাছ দিয়ে নিম বেগুনের অনেক মজার রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো দাদা। ♥️♥️

দাদা আজকে আপনার রেসিপিটি দেখে সত্যিই আমি অবাক হয়ে গেছি। আমার কাছে একদম ভিন্ন ধর্মের মনে হয়েছে। আসলে নিম পাতা দিয়ে রেসিপি তৈরি করা যায়, এটা আমি কখনো ভাবি নি। তাই আমার এই রেসিপি তৈরি করা কখনো দেখা হয়নি। আর খাওয়া তো দূরের কথা। যাই হোক আজকে আপনি নিমপাতা ও বেগুন দিয়ে ছোট মাছের সুস্বাদু রেসিপি তৈরি করেছেন, আসলে জানিনা এটা কতটা সুস্বাদু হয়েছিল।তবে আপনাদের উপস্থাপন এবং পরিবেশন দেখে মনে হচ্ছে ভালোই সুস্বাদু হয়েছিল। যদি খেয়ে দেখতে পারতাম তাহলে খুবই ভালো হতো। তবে আমি একদিন তৈরি করে দেখব রেসিপিটা খেতে কতটা মজা হয়। আসলে নিম আমাদের শরীরে জন্য খুবি উপকারী। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা, আমাদের মাঝে নতুন এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।

নিম পাতা আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।।শরীরের যেকোনো ব্যথার জন্য নিম পাতা গরম পানি করে গোসল করলে অনেক উপশম হয়।এছাড়াও এলার্জি কিংবা চুলকানি তে ও নিমপাতা অনেক বেশী কার্যকরী ভূমিকা রাখে।নিমপাতা নিমের ছাল সহ পুরো নিমম গাছটাই যেন ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও নিম অনেক তিতা হওয়ার কারণে ডায়াবেটিসের জন্য কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

ভরপুর গুণের অধিকারী এই নিয়ম এবং নিম পাতা রান্না করে খাওয়া যায় এটি এই প্রথম শুনলাম।আমি কখনো নিমপাতা দিয়ে মাছের তরকারি রেসিপি দেখিনি আপনার এই রেসিপিটা আমার কাছে সম্পূর্ণ ইউনিক মনে হয়েছে।যেহেতু আমি মাছ খাই না আর নিমপাতা তিতা তাহলে বুঝতে পারছি না এর স্বাদ কেমন হয়েছে। যেহেতু দাদা আপনি খেয়েছেন এবং আপনি সুন্দর অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন যে এটি বেশ মজাদার হয়ে থাকে। তবে এই রেসিপিটি দেখে দেখে আমি বাসায় ট্রাই করে দেখব এবং এর স্বাদ গ্রহণ করার চেষ্টা করব।

এত সুন্দর ইউনিক একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে প্রিয় দাদা। সবসময় ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, এবং সুন্দর সুন্দর পোস্ট নিয়ে আপনি আমাদের মাঝে হাজির হবেন এই প্রত্যাশা রেখে আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। হ্যাঁ যাচ্ছি কিন্তু যাচ্ছি না। আবার ফিরে আসছি আপনার পোস্টে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।♥♥

যখনে আমি টাইটেল এ দেখলাম নিম বেগুন রেসিপি তখন আমি ভাবলাম এটি আবার কেমন বেগুন , তো আমি যখন পোস্ট এর ভিতরে দেখতে এলাম এই নিম বেগুন । তখন আমি দেখতে পেলাম আপনার রেসিপির মধ্যে নিম পাতা , ছোট মাছ আর বেগুন দিয়ে করা এই রেসিপি । আমার কাছে রেসিপিটি অনেক ভালো লেগেছে । তবে নিম পাতা যে শরীরের জন্য অনেক উপকারি তা বুঝতে আমার কোণ কষ্ট হয়নি , যাই হোক আপনার তৈরি নতুন এক রেসিপি দেখে বেশ ভালো লাগল আর নতুন অভিজ্ঞতা হল। ধন্যবাদ আপনাকে নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য । শুভকামনা

নিম পাতা যে কেও খেতে পারে এটা তো কখনোই ভাবতে পারিনি।এতো তেতো মুখে কি করে দেওয়া যায় তাই ভাবছি আমি।

দাদা নিমের পাতা দিয়ে রেসিপি আমি এই প্রথম দেখলাম ।আমি কখনোই এই ধরণের একটি রেসিপি দেখি নি ।আপনি খুব সুন্দর ভাবে নিম বেগুন ও মৌরলা মাছের রেসিপি করেছেন। নিম আমাদের বিভিন্ন ধরনের শরীর উপকারে লাগে বিশেষ করে এলার্জির সহ চর্ম রোগের ক্ষেত্রে বেশি উপকারী। তা ছাড়া পেটের এবং শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে ভূমিকা রাখে। তবে আমরা নিমের বাকল ব্যবহার করি সাধারনত দাঁত মাজার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে নিমের পাতার রস আমরা মেয়েরা চুলেতে যাই খুশকি দূর করার জন্য। আপনি খুব সুন্দর ভাবে দারুন একটি মনমুগ্ধকর রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। রেসিপিটি আমার কাছে এতটাই ভাল লেগেছে যা হয়তো প্রকাশ করতে পারবো না। আপনি বরাবর দারুন সব রেসিপি উপস্থাপন করেন এবং নিখুঁত ভাবে বর্ণনা করেন। এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

একদম ভিন্নধর্মী একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন দাদাভাই। আমি কখনো এভাবে নিমপাতা খাইনি। এভাবে কখনো রান্না করতে শুনিনি এমনকি এভাবে যে রান্না করা যায় এটাও আমার জানা ছিল না। একদম নতুন এবং ইউনিক একটি রেসিপির সাথে পরিচিত হলাম। অনেক ধন্যবাদ দাদা ভাই আপনাকে এবং এবং অনেক ভালবাসা রইল আপনার জন্য।

আসলেই সব জিনিস দেখলেই উপর থেকে তার গুন বোঝা যায় না। তার জ্বলন্ত প্রমাণ হচ্ছে এই নিমপাতা। নিমপাতা শুধুমাত্র উপরে দেখতে অন্যান্য পাতার মতো সবুজ পাতা কিন্তু তার ভিতরে যে কত গুন তা আমরা সবাই জানি না। আজ আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে অনেকেই এই তথ্য জানতে পারবে। নিমের পাতা, ডাল থেকে শুরু করে সবকিছুই আমাদের জন্য খুবই উপকারী। নিম পাতার বড়ি করে খেতে দেখেছি শরীরে এলার্জি দূর হয়। কিন্তু নিমপাতা বেগুন দিয়ে মৌরলা মাছ দিয়ে রান্না করে খেতে দেখে মনে হয়েছে নিম পাতার মত আপনিও না জানি কত গুণ গুণবান একজন মানুষ। আমরা সবাই তিতা জিনিস একটু অপছন্দ করি কিন্তু যেটা আমাদের শরীরের উপকার করবে সেটি তিতা হলেও আমার মনে হয় একটু টেস্ট করে দেখা সবারই প্রয়োজন। অনেক ধন্যবাদ দাদা প্রয়োজনীয় একটি রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

দাদা নিমপাতা অনেক ভালো একটি পাতা। এটা অনেক রোগ প্রতিরোধ করে। এটি অনেকের কাছে ঔষধিপাতা হিসেবে পরিচিত। কিন্তু নিম পাতা এইভাবে রান্না করা যায় সেটি আমার আগে জানা ছিল না। দাদা তরকারিতে নিমপাতা দেওয়াতে তেতো লাগে নাই?? বেগুন দিয়ে মৌরলা মাছ দিয়ে আমি খুব সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন দাদা। আমারতো ইচ্ছে করছে একটু টেস্ট করে দেখতে নিম পাতা দেওয়াতে খেতে কেমন হয়েছে। সব সময় আপনার কাছ থেকে আমার নতুন নতুন রেসিপি থেকে খুবই ভালো লাগে দাদা। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা নতুন ভাবে রেসিপি টা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

আপনি আজকে খুব ইউনিক ভাবে এই রান্নাটা করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দাদা। আপনার রেসেপি দেখতে আসলেই বেশ লোভনীয় লাগছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই আপনাকেখুব ইউনিক একটা রেসিপি সাথে পরিচিত হলাম। তবে যখন টাইটেল দেখলাম নিম বেগুন আমি ভাবলাম আবার মনে হয় নিমের কোন ফল সেটাকেই বেগুন বলা হয়। ভিতরে ঢুকে অন্য কিছু দেখলাম তবে নিমপাতার এরকম করে রেসিপি কখনই দেখিনি।

দাদা নিমের কথা যা বললেন তা আসলেই অসাধারণ। নিমের যে বহুবিধ আয়ুর্বেদিক ঔষধি গুন আছে তা আমরা সবাই জানি। আমাদের এলাকায় চর্ম রোগের জন্য নিমের পাতা মহা ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে সত্যি বলতে কি নিমের পাতা কখনো রান্না করে খেয়ে দেখি নি। এই মৌরালা মাছ বা মলা মাছ আমার খুবই পছন্দের। একটু ভেজে রান্না করলে খেতে দারুন লাগে। এই গরমে নিমের পাতার সঙ্গে মাছের রেসিপি দারুন একটি কম্বিনেশন। একদিকে যেমন ভীষণ উপকারী তেমনি আবার সাদের ক্ষেত্রেও কমতি নেই। সত্যি বলতে কি মাঝেমাঝে সাদের বিষয়টা প্রাধান্য না দিয়ে উপকারের কথা চিন্তা করে হলেও এ ধরনের খাবার খাওয়া উচিত। ধন্যবাদ দাদা❤️👍

পুরো পুরি নতুন ভাবে একটা রান্না দেখছি দাদা। নিম পাতা ভাজি খাই আমি নিজেও। একটু তেতো লাগে কিন্তু মজা আছে। তবে তরকারি তে এভাবে কখনো খাই নি। ভালোই লাগলো ব্যাপারটা। খুব ভালো একটা খাবার। পুষ্টি তে ভরপুর। শরীরের জন্য সত্যিই খুব উপকারী।

নিম পাতা খুবি উপকারী । এই পাতা বহু কাজে লাগে। অনেকে এই পাতা শুকিয়ে গুড়ো করে তারপর বড়ি করে রেখে দেয়। আমি যদিও নিম পাতা কখনও খাই নি। তবে মাঝে মাঝে চিরতা ভিজানো জল খাই। কথায় আছে তেতো হচ্ছে বিষ তাই প্রতিদিন খাওয়া ঠিক নয়। আজকের রান্নাটি রোগীর পথ্য হিসেবে কাজ করে। সাধারনত মৌরলা মাছ ভাল করে ধুয়ে নিয়ে ভেজে খেতেই ভাল লাগে। এই মাছ তো আর কাটা সম্ভব নয়। আজকের রেসিপি টি দারুন হয়েছে । সপ্তাহে একদিন অন্তত এমন রান্না থাকা উচিত। তাতে শরীরের ব্যলেন্স ঠিক থাকে। আমি কিন্তু এভাবে কখনও খাই নি দাদা। ট্রাই করবো একদিন । ভাল থাকবেন দাদা। শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল।

আপনি নিম-বেগুন রেসিপিটা অসাধারণ ভাবে তৈরি করেছেন। দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো। আপনি চমৎকার ভাবে এটা উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই ধরনের রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

নিমপাতার রেসিপির কথা শুধু লোকমুখেই শুনে এসেছি আজ দেখারও সৌভাগ্য হলো । নিমের গুণাগুণ বলে শেষ করা যাবে না । পাতা, ফুল, ফল, ডাল, বাকল, শিকড় কোন কিছুই ফেলনা নয় । এমনকি নিমগাছ বাড়িতে থাকলেও বাতাস পরিশুদ্ধ করে থাকে বলে শুনেছি । ধন্যবাদ দাদা এমন নতুন রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ।

দাদা আপনার রেসিপির টাইটেল দেখে প্রথমে মনে করেছিলাম আপনি মনে হচ্ছে অন্য কোন পাতাকে নিম পাতা বলছেন কিন্তু যখন আপনার রেসিপির ধাপগুলো দেখলাম তখন অবাক হয়ে গেলাম। এটা দেখি সত্যি সত্যি নিম পাতা😲🤔। নিমের পাতা, ফল, ফুল ও বাকল দিয়ে বিভিন্ন ঔষধ বানানো যায় শুনেছি কিন্তু এভাবে রেসিপি তৈরি করা যায় জানা ছিল না তাও আবার মাছ দিয়ে। দাদা আপনি যে মাছ কে মৌরলা মাছ বলেছেন আমরা এই মাছকে মলা মাছ বলি।দাদা একদম ঠিক কথা বলেছেন চানাচুর ভাজার মতো করে ঝরঝরে ভাজা করে খেতে এই মাছ খুবই সুস্বাদু লাগে। এই মাছ লেবুর পাতা দিয়ে ভাজি করে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। দাদা এই ইউনিক রেসিপির জন্যেই আপনার নাম দিয়েছিলাম "ইউনিক রেসিপিওয়ালা"। আমি জীবনে একবার নিমপাতা খেয়েছিলাম সেই দিন থেকে নিম পাতা খাওয়ার স্বাদ মিটে গেছে। দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ‌ নিম-বেগুন এত ইউনিক রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

নিম এর যেকনো কিছু খাওয়া মানে আমাদের শরীরে ওষধের কাজ করে থাকে।

দাদা,আপনি ঠিক কথা লিখেছেন নিম পাতা নিম ফল নিম গাছের বাকলে অনেক ওষুধি গুণ রয়েছে। তবে দাদা, আমি নিম পাতা দিয়ে বেগুন রেসিপি অথবা অন্যান্য রেসিপি আমি কখনো খাইনি আপনার রেসিপিটি দেখে এবং রেসিপির নাম দেখে অবাক হয়ে গেছি। দাদা, আমার পরিচিত একজন বৌদি প্রায় সময় আমার শ্বশুরবাড়ির নিম গাছ থেকে নিম পাতা নিয়ে যায় কি জন্য নিয়ে যায় সেটা কখনো বলেনি, তবে আজকে আপনার এই রেসিপিটি দেখে বুঝতে পারলাম হয়তো উনি রেসিপির জন্য নিম পাতা নিয়ে যায়।দাদা, নিমপাতার এত ঔষধি গুণ রয়েছে সেটা জানতাম কিন্তু নিমপাতা এভাবে খাওয়া যায় কখনো জানতাম না। কালকেই আমি এই রেসিপি তৈরি করে খেয়ে দেখব খুবই লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। দাদা,এই রেসিপিটি ঔষধী গুণে ভরপুর একটি রেসিপি। ধন্যবাদ দাদা,এতো সুস্বাদু এবং ঔষধী গুণে ভরপুর রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।।

নিম পাতা দিয়ে এরকম করে কখনো রেসিপি করে খাওয়া হয় নাই। যদিও নিমপাতা খেয়েছি অসুখের জন্য। তবে মাছের সাথে এরকম নিমপাতা রেসিপি কখনো দেখি নাই আমি। খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন দাদা আপনি। আবার কাছ থেকে নতুন ধরনের একটি রেসিপি শিখলাম। সেই সাথে খুব সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন আপনি। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

ওয়াও দাদা ইউনিক একটা রেসিপি দেখালেন। আমি জীবনে শুনিনি নিম পাতা দিয়ে কোন প্রকার তরকারি রান্না করতে। কারণ নিমপাতার যে পরিমাণ তেতো খাওয়ার কথা কল্পনাও করিনি। আপনার রেসিপি আমার কাছে মনে হয় যে কল্পনার মত। তবে আপনার বোরোলি মাছ দিয়ে নিম পাতার রেসিপি টা দেখতে অসাধারণ লেগেছে। ইচ্ছে করছে একটু খেয়ে দেখার জন্য আসলে এর স্বাদ কি রকম। তবে হ্যাঁ আপনি ঠিকই বলেছেন নিমপাতার পাতা বাকল ফল সবকিছুই ওষুধের কাজে ব্যবহৃত হয়। আর এটা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আমাদের সাথে এতো সুন্দর রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন।

দাদা,আমার কাছে তো নিম পাতাট কথা শুনেই তো তিতা লাগছে।যাই হোক মৌরলা মাছ আমার কাছে ভালো লাগে।কিন্তু নিম পাতা দিয়ে খেতে কেমন লাগবে কি জানি।নতুন একটা রেসিপি দেখলাম।ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে।