চিংড়ির সাথে কচু শাকের সিম্পিল ঘন্ট রেসিপি

in hive-129948 •  2 months ago 
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন । সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

আজকে আমি আপনাদের সাথে একটা ঘন্ট রেসিপি শেয়ার করে নেবো। আজকে আমি কচু শাকের ঘন্ট রান্না করেছি। এই কচু শাকটি সাধারণ কচু শাক, এইগুলো বাড়িতে এমনিই হয়ে থাকে। আর এই কচু শাকগুলোর না লাগে কোনো পরিচর্যা আর না লাগে কোনো কিছু করা, কিন্তু এর আবার উপকারও আছে অনেক। তবে এই আজবা কচু শাকগুলোর একটা সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে থেকে যায় সেটা হলো, গলা চুলকানোর সমস্যা। এটা অনেক ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে এই আজবা কচু শাকের ক্ষেত্রে। আর বাজারে অনেকে বয়স্ক মহিলারা এইগুলো যেকোনো জায়গার থেকে কেটে নিয়ে এসে বিক্রি করে থাকে। আমি রাতে কেনার সময় আর অতটা খেয়াল করে দেখিনি, বাড়ি আনার পরে মা বলছে এগুলো কে কিনতে বলেছে, গলা চুলকায় কিনা আবার। আর এদের কাছে কমে পাওয়া যায় বলে নিয়েও এসেছিলাম বেশি করে। তারপর আমি ভাবলাম কিনেই তো আনলাম এখন খেয়ে দেখি আগে অল্প করে কি হয়। তো গতদিন খুব অল্প রান্না করে খেয়ে দেখলাম না ভালোই লাগলো, তাই আজকে বেশি করে চিংড়ি দিয়ে ঘন্ট করে ফেললাম। কচু শাক কিন্তু বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যায়, তবে গ্রাম্য পদ্ধতিতে প্রায় এইভাবে ঘন্ট করে থাকে সহজে, আর এইভাবে খেতেও অনেক ভালো লাগে। যাইহোক এখন আমি এই কচু শাক ঘন্ট রেসিপিটার মূল উপকরণের দিকে চলে যাবো।


☬প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ:☬

✦উপকরণ
পরিমাণ✦
চিংড়ি
১৫০ গ্রাম
কচু শাক
পরিমাণমতো
পেঁয়াজ
১ টি
কাঁচা লঙ্কা
১৩ টি
জিরা
পরিমাণমতো
সরিষার তেল
৪ চামচ
লবন
৩ চামচ
হলুদ
৩ চামচ
জিরা গুঁড়ো
১/২ চামচ


পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা


সরিষার তেল, লবন, হলুদ, জিরা গুঁড়ো


❧এখন ঘন্ট রেসিপিটা যেভাবে তৈরি করলাম---


✠প্রস্তুত প্রণালী:✠


❖চিংড়িগুলোকে প্রথমে ভালো করে কেটে নিতে হবে এবং জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর কচুশাকগুলো আমি ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে নিয়েছিলাম(কচু শাকগুলো বাজার থেকেই কেটে নিয়ে এসেছিলাম)।

❖পেঁয়াজ এর খোসা ছাড়িয়ে নেওয়ার পরে কেটে নিয়েছিলাম। এরপর কাঁচা লঙ্কাগুলো কেটে নেওয়ার পরে জল দিয়ে ধুয়ে নিয়েছিলাম।

❖ধুয়ে রাখা চিংড়িগুলোতে ১ চামচ করে লবন আর হলুদ দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর গায়ে ভালো করে মাখিয়ে নিয়েছিলাম।

❖লবন, হলুদ মাখানো চিংড়িগুলোকে কড়াইতে হালকা তেল দিয়ে আর একটু জল দিয়ে ভাজা হতে দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর অন্য চুলায় আরেকটি প্যানে তেল দিয়ে জিরা দিয়ে দিয়েছিলাম।

❖জিরাটা একটু ভাজা মতো হয়ে আসলে তাতে কেটে রাখা পেঁয়াজ ধুয়ে দিয়ে দিয়েছিলাম। পেঁয়াজ ভালো করে ভেজে নিয়েছিলাম।

❖পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে একেবারেই তাতে কচু শাকগুলো সব দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তাতে চিংড়িগুলো দিয়ে দিয়েছিলাম ভাজা হয়ে গেলে।

❖চিংড়ি দেওয়ার পরে স্বাদ মতো ২ চামচ করে লবন আর হলুদ দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর কেটে রাখা কাঁচা লঙ্কাগুলো দিয়ে দিয়েছিলাম।

❖সব উপাদানগুলো ভালো করে মিক্স করে নিয়েছিলাম। এরপর কচুশাকগুলো ভালো করে সিদ্ধ হয়ে আসার জন্য ঢেকে রেখেছিলাম।

❖সিদ্ধ হয়ে গেলে ঢাকনাটা তুলে দিয়েছিলাম এবং মাঝে মাঝে নেড়ে নেড়ে কচু শাকগুলো আরো ভালোভাবে গলিয়ে নিয়েছিলাম। যে জলটা বেরিয়েছিল সেটা জ্বাল দিয়ে শুকনো শুকনো পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।

❖কচু শাক ভালোভাবে ঘন্ট মতো হয়ে আসলে আমি তাতে খুব সামান্য পরিমান জিরা গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়েছিলাম। এই জিরা গুঁড়োটা এই ক্ষেত্রে অপশনাল, না দিলেও হয় ঘন্ট রেসিপির ক্ষেত্রে। আমি স্বাদটাকে আরেকটু বাড়ানোর জন্য দিয়েছিলাম। যাইহোক এরপর পরিবেশনের জন্য একটি পাত্রে তুলে নিয়েছিলাম।

রেসিপি বাই, @winkles

শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

আর এই কচু শাকগুলোর না লাগে কোনো পরিচর্যা আর না লাগে কোনো কিছু করা,

কচু শাক বা কচুর ডাটা খেতে আপনি অনেক পছন্দ করি। আর যদি চিংড়ি মাছ দিয়ে রান্না করা হয় তাহলে তো কথাই নেই দাদা। আপনি হয়তো শুটকি মাছ খুব একটা খাননি। তবে একদিন শুটকি মাছ দিয়ে কচু শাক রান্না করে খেয়ে দেখবেন দারুন লাগে খেতে। চিংড়ি মাছের সাথে কচুর ডাটার এই রেসিপি দেখেই জিভে জল চলে এসেছে। আমরা খুব সহজেই আমাদের বাড়ির আশেপাশে কচু শাক পেয়ে যাই। এগুলো হয়তো অযত্নে অবহেলায় বেড়ে ওঠে। তবে খেতে কিন্তু দারুণ লাগে দাদা। মাঝে মাঝে অবশ্য বাজার থেকেও কিনে আনা হয়। বাজার থেকে কেনা কচু শাকগুলো অনেক সময় গলায় ধরার সম্ভাবনা থাকে। রন্ধনশিল্পীর নিপুণতায় কচু শাক দিয়ে চিংড়ির মজার রেসিপি সকলের মাঝে তুলে ধরেছেন এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।

চিংড়ির সাথে কচু শাকের সিম্পিল ঘন্ট রেসিপি দেখে অনেক মজাদার মনে হচ্ছে। আসলে দাদা কচুরশাক আমার খুবই প্রিয়। কচুশাকের ভর্তা খাওয়া যায়, গ্রামাঞ্চলে আমরা কচুশাক নানাভাবে রেসিপি করে থাকি। আজকে আপনি খুবই সুন্দর ভাবে চিংড়ি মাছ দিয়ে কচু শাক রেসিপি তৈরি করেছেন। আসলে কচুতে অনেক পরিমাণে আয়রন থাকে যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আমিও গত কিছুদিন আগে কচুশাকের ভর্তা খেয়েছিলাম। আমাদের বাড়ির পাশেই ছিল, কিন্তু এই কচুর শাক একটু গলা ধরে ছিল। যার কারণে বেশি খেতে পারেনি। তবে আপনার কচু গলা ধরেনি। কিন্তু আপনার আম্মা ভয়ে ছিলো যে গলা ধরে কিনা।যাক গলা ধরেনি ভালোই হয়েছে। আপনি খুবই মজাদার রেসিপি আজকে আমাদের সাথে শেয়ার করলেন দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমার এমন ধরনের কচুশাক খেতে খুব ভালো লাগে। কচু শাক ইলিশ মাছ এবং চিংড়ি মাছ দিয়ে রান্না করলে সবচেয়ে বেশি মজার হয়। আমিও আজকে এই কচুশাক রান্না করেছি চিংড়ি মাছ দিয়ে। তবে একটু তাড়া ছিল তাই রেসিপি করা হয়নি। পরবর্তীতে আবার রান্না করলে অবশ্যই আপনাদের সাথে শেয়ার করব। অনেক ধন্যবাদ দাদা ভাই এত মজাদার কচুশাকের ঘন্ট রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন এবং অনেক ভালোবাসা রইলো আপনার জন্য।

দাদা কচু শাকের ঘন্ট টা আমার তেমন খাওয়া হয়নি আগে। আমাদের এইদিকে তেমন কেউ খায় বলেও মনে হয় না।
তবে এটাকে যে কচুর ঘন্ট সেটা আমি আগে জানতাম না। হলে থাকি, মাঝে মাঝে কচুর এমন একটা ভাজি দেখতেই পাই। সেটাকে ভাজি হিসেবেই গণ্য করে খাই দাদা। আজকে আপনার পোস্ট দেখে মনে হলো যে আমিও এর ঘন্ট বেশ কিছুদিন খেয়েছি। তবে একটা কথা ঠিক কচু গলা চুলকায়। এর সাথে লেবু নিয়ে খেতে হয় মাঝে মাঝে। আমি হলে প্রায় সময়ই এমন করেই খাই ।
চিংড়ির দিয়ে কচু শাকের রেসিপি টি দাদা খুব ভালো ভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। এ থেকে আমি নতুন কিছু জানতে পারলাম। প্রতিটা ধাপ তুলে ধরেছেন সব সময়ের মতো দারুন ভাবে । ধন্যবাদ দাদা ।

চিংড়ি দিয়ে কচু শাকের আপনি অনেক সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দাদা। চিংড়ি মাছ আমার অনেক পছন্দের একটি মাছ। আপনার রেসিপি দেখে অনেক লোভনীয় লাগছে। রেসিপি তৈরির প্রতিটি ধাপ আপনি অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার জন্য শুভকামনা রইল

কচু শাক আমার খুবই প্রিয়। আমি যখন গ্রামের বাসায় যাই তখন মাঝে মাঝেই কচু শাক খাওয়া হয়। আমার গ্রামের বাসার বাগান গুলোর চারপাশে কচু গাছ দেখতে পাওয়া যায়। যেগুলো রান্না করে খেতে দারুন লাগে। তবে যখন শহরে থাকি তখন এই খাবারটি মাঝে মাঝে খেতে ইচ্ছা করে। তাই মাঝে মাঝে বাজার থেকে কিনে আনা হয়। ছোট ছোট বাচ্চাগুলো অনেক সময় এই কচু শাকগুলো বিক্রি করে। যাই হোক দাদা চিংড়ি মাছের সাথে কচু শাকের দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। কচু শাক ও চিংড়ি মাছের মজার একটি রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। লোভনীয় এই রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো। ❤️❤️

আজবা কচু শাকের নাম নতুন জানলাম দাদা । তবে কচুশাক আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী । অনেকের এলার্জির জন্য সমস্যার কারণে অবশ্য গলায় চুলকায় আসলে । তবে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে খেতে । আপনি চিংড়ি মাছ আর চিচিঙ্গার কম্বিনেশনে খুব সুন্দর করে কচু শাকের ঘন্ট রান্নার রেসিপিটি দেখিয়েছেন ।ধন্যবাদ আপনাকে

জি দাদা অনেক কচু আছে যেগুলো খেলে গলা চুলকায়, শরীর চুলকায়। তবে কিছু কিছু আছে যেগুলো খেলে আর গলা চুলকায় না। আজকে আপনি খুবই সুন্দর ভাবে কচু শাক দিয়ে মজাদার চিংড়ি মাছের রেসিপি তৈরি করেছেন। যা দেখেই তো আমার খেতে ইচ্ছা করছে। এভাবে চিংড়ি মাছ দিয়ে কচু শাকের তরকারি রান্না করলে খেতে আমি খুবই পছন্দ করি। আমাদের মাঝে এত সুন্দর ভাবে চিংড়ি মাছের এত সুন্দর একটি রেসিপি উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।

আমি রাতে কেনার সময় আর অতটা খেয়াল করে দেখিনি, বাড়ি আনার পরে মা বলছে এগুলো কে কিনতে বলেছে, গলা চুলকায় কিনা আবার।

দাদা, আশা করি ভালো আছেন।তাছাড়া আপনার কি কচুশাক খেয়ে গলা ধরেছিল!
এই কচুশাক আমার কাছে খুবই ভালো লাগে চিংড়ি মাছ দিয়ে।মনে হচ্ছে এটি সলা কচুশাক ,একটু মিষ্ট টাইপের খুবই সুস্বাদু খেতে।কচুশাক বরাবরই বেশ পুষ্টিকর।আর বর্ষাকালে অনেক প্রকার কচুশাক হয়ে থাকে।পরিচর্যাবিহীন হলেও এগুলো তেমন গলা ধরে না।তাছাড়া একটু লেবু কিংবা টক জাতীয় কিছু খেলে গলা চুলকানো ভালো হয়ে যায়।আপনার রেসিপিটা সুন্দর ও লোভনীয় হয়েছে।ধন্যবাদ দাদা,ভালো থাকবেন।

নমস্কার দাদা। আপনি খুব সুন্দর করে কচুর শাকের ঘন্ট রান্না করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। চিংড়ি মাছ দিয়ে কচুর শাক অনেক ভালো লাগে। আজবা কচু এই নামটি কখনো শুনিনি আজকেই প্রথম শুনলাম। লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা।

দাদা এই আজবা কচুগুলো খেতে আসলে অনেক সুস্বাদু। আমাদের এদিকে অবশ্য স্থানীয়ভাবে এগুলোকে অকচু বলে। এই কচুর পাতা ভর্তা খেতে অসাধারণ লাগে। এগুলো যেমন সুস্বাদু ঠিক তেমনি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। আমাকে অবশ্য কখনো এই কচুগুলো বাজার থেকে কিনে আনতে হয় না। আমার বাড়িতে আশেপাশে অনেক গাছ জন্মেছে। আপনি চিংড়ি মাছ দিয়ে কচুর ঘন্ট করে খুব ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিশ্চয়ই চিংড়ি মাছ দিয়ে ঘন্ট করার ফলে এর স্বাদ অনেক বেড়ে গিয়েছে। সুস্বাদু রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

দাদা কচু শাকগুলো খুবই পরিচিত যেহেতু আমি গ্রামের মেয়ে। আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এই ধরনের কচুগুলো। আর এখন চলছে বর্ষার মৌসুম এই কচুশাক গুলোও সার ছাড়াই যেন নিজে নিজেই পুরো ক্ষেত জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। আমিও মাঝে মাঝে কচুর শাক খাওয়ার শখ করি। আর আম্মু তুলে এনে মাছ এবং শুটকি দুটো দিয়ে রান্না করে দেয়। তবে মাছের মধ্যে চিংড়ি মাছ থাকবেই। আপনিও দেখছি আজ চিংড়ি মাছ দিয়ে এই কচুর ঘন্টা তৈরি করেছেন। তবে দাদা একটা কথা কি জানেন গলা চুলকালে রসুনের পরিমাণটা দু চামচ বাড়িয়ে দিলেই হল। তাহলে আর গলা চুলকাবে না। কচুশাকে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে প্রত্যেকেরই খাওয়া উচিত। ভালই লাগলো অনেক রেসিপিটি।

চিংড়ি দিয়ে কচু শাক ঘন্ট গ্রাম বাংলার এক ঐতিহ্যবাহী খাবার। আমারও খুব ফেভারিট মাঝে মাঝেই খাওয়া হয়। বিশেষ করে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন এবং খনিজ লবণ থাকাতে কচু শাক খেতে খুবই ভালো লাগে আমার কাছে। আপনি চিংড়ি মাছের মিশ্রণের রেসিপিটি দারুন ভাবে প্রস্তুত করেছেন খেতে খুব মজা হয়েছিল এতে কোন সন্দেহ নেই।

কচুশাক বেশ কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। এরমধ্যে এক প্রকার কচুশাক খেলে বেশ গলা চুলকায় এবং আরেকপ্রকার একেবারে খাওয়ার উপযোগী। আমাদের দিকে মোটামুটি সহজলভ্য কচুশাক কিনে খাওয়া লাগে না। অনেক ভিটামিন সমৃদ্ধ এটা। চিংড়ি দিয়ে কচুশাক ঘন্ট করলে অনেক সুস্বাদু লাগে। দারুণ তৈরি করেছেন দাদা চিংড়ি দিয়ে কচুশাক টা। বেশ দারুণ ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে।।

আপনি কচুর ডাটা রান্না করেছেন এই কচুর পাতাগুলো খেতেও খুবই ভালো লাগে ইলিশ মাছের সঙ্গে ঘন্টা করে। ঠিক বলেছেন এই কচুগুলো ভালোমতো বেছে তুলতে হয় । কিছু শাক চুলকায় আবার কিছু থাকে ভালো। আপনার ভাগ্য ভালো যে বাজার থেকে কিনে আনার পরেও ভালো পেয়েছেন। আর এই কচুর উপকারিতা অনেক বলে শেষ করা যায় না। বিশেষ করে চোখের জন্য খুবই উপকারী। চিংড়ি দিয়ে খুবই সুস্বাদু করে কচু খণ্ড করেছেন। এই কচু ঘন্ট গরম ভাতের সঙ্গে হলে আর কিছুই লাগে না। খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে মনে হচ্ছে আপনার কচু ঘন্ট।

এই কচু শাকগুলোর না লাগে কোনো পরিচর্যা আর না লাগে কোনো কিছু করা, কিন্তু এর আবার উপকারও আছে অনেক।

এইটা আপনি একদম ঠিক কথা বলেছেন দাদা কচু শাকগুলোতে পরিচর্যা করা লাগে না কিন্তু এটা খেতে এতটাই সুস্বাদু আর এতটাই উপকারিতা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।

আজকে আপনি আমাদের মাঝে খুবই চমৎকার ভাবে চিংড়ি মাছ দিয়ে কচু শাকের ঘন্টের রেসিপি তৈরি করার একটা পদ্ধতি শেয়ার করলেন দাদা। প্রত্যেকটি ধাপে ধাপে আপনি আমাদেরকে দেখিয়েছেন কিভাবে এমন চমৎকার একটা রেসিপি তৈরি করতে হয়।

আগের দিনে গ্রামের মানুষ বলতো যারা বেশি ঝগড়াটে, তারা কচু খেলে গলা চুলকায়,😉😉 হি হি। যাই হোক কচু শাক রান্না করার সময় লেবু অথবা সামান্য আচার দিলে নাকি গলা চুলকায় না।ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে দারুণ লাগে।তবে চিংড়ি দিয়ে খাওয়া হয়নি।তবে মনে হচ্ছে খেতে দারুণ হবে।ভালো লাগলো।ধন্যবাদ

এই দেশি কচুর শাক আমারও খুব প্রিয়।আমাদের বাড়ি যেহেতু গ্রামাঞ্চলে তাই এটি বাড়ির পাশেই অনেক পাওয়া যায় ।এগুলো সত্যি কোন পরিচর্যা ছাড়াই জমি জমা বা পুকুর পাড়ে জন্মায়। এই কচুর শাক যেমন খাওয়া যায় তেমনি এই কচুর শাকের ফুল অনেক বেশি সুস্বাদু হয়। আমরা বেশিরভাগ সময় বৃষ্টি হলে রান্না করে থাকি। কচু শাক রান্নার ক্ষেত্রে আমরা শুটকি ব্যবহার করি ।আপনার রান্নাটা আমার বেশ ভালো লেগেছে দাদা। চিংড়ি মাছ গুলো দেখতে বেশি লোভনীয় দেখাচ্ছে।
আমার তো ইচ্ছে হচ্ছে এই কচুর শাকের ঘন্ট খেয়ে দেখতে ।আসলে দাদা আপনার রেসিপিগুলো যেভাবে তৈরি করেন সেগুলো দেখতে দেখতেই মনটা জুড়িয়ে যায়।আর খেতেও আশা করি খুব ভালো লাগবে।

চিংড়ির সাথে কচুশাকের ঘন্ট একটা ভীষণ সুস্বাদু রেসিপি। ব্যাক্তিগত ভাবে আমার খুবই পছন্দের এটা। আর উপস্থাপনা টাও খুব সুন্দর হয়েছে দাদা।

কচু শাকে প্রচুর ভিটামিন এবং আয়রন রয়েছে। আমার মনে আছে আমার ছেলে হওয়ার আগে ডাক্তার প্রচুর কচুর শাক খেতে বলেছিলেন আমার স্ত্রীকে, এতে নাকি প্রচুর উপকার হয়। সত্যিই আমার স্ত্রীর বেশ উপকার হয়েছিল।
আপনার রেসিপি জিভে জল আনা 😋
এই কচু আর চিংড়ির ঘন্ট একবার খেয়ে দেখার ইচ্ছে করছে 😋

দোয়া রইল পুরো পরিবারের জন্য 🤗

চিংড়ি মাছের সাথে কচু শাকের ঘন্ট খেতে অসাধারণ মজাদার লাগে। দাদা আপনার এই রেসিপি দেখে আমার জিভে জল চলে এলো। কচু শাকগুলো সিদ্ধ হয়ে আসার জন্য ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেওয়ার বিষয়টি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। কারণ এভাবেই আমাদের বাড়িতে রান্না করা হয়। অতি লোভনীয় একটি রেসিপি পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য আপনাকে।

ভাইয়া কচুতে রসুন ব্যবহার না করলে গলায় ধরে। আপনি তো মনে হচ্ছে রসুন ব্যবহার করেননি আপনার কি গলায় ধরে ছিল? আর যাই হোক ঠিক বলেছেন আমাদের গ্রামেও প্রচুর পরিমাণে কচু কচুর শাক আছে, এগুলোর কোন পরিচর্যারও প্রয়োজন হয় না।

পরবর্তী রেসিপি অপেক্ষায় রইলাম ভাইয়া।

অনেক সময় কচু খেলে গলা চুলকায়। আমার এদিকে ও কিছু মহিলা আছে যারা গ্রাম থেকে প্রচুর এনে বিক্রি করে। তাদের কাছ থেকে প্রায় আমার কচু নেওয়া হয়। মাঝে মাঝে সমস্যা হয়। দাদা আপনি অনেক সুন্দর করে কচু রেসিপি রান্না করেছেন তা দেখে অনেক ভালো লাগলো।

ভাইয়া কচু শাক আমার অনেক প্রিয়। আর সাথে যদি চিংড়ি মাছ থাকে তাহলে তো অন্যরকম একটি স্বাদ লাগে। আপনার রেসিপিটা দেখে আমার এখনি খেতে মন চাইতেছে।

দাদা রেসিপিটি খুব মজার হয়েছে এক কথায় বলতে পারি। এই কচু শাক দিয়ে চিংড়ি মাছ দিয়ে যেমন মজার, তেমনি ইলিশ মাছের মাথা দিয়েও এই শাক রান্না বেশ
মজার হয়। ধন্যবাদ দাদা আপনাকে সুন্দর একটা রেসিপি পোষ্ট শেয়ার করার জন্য।

চিংড়ির সাথে কচু শাকের সিম্পিল ঘন্ট রেসিপিটি বেশ চমৎকার হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে খুবই সুস্বাদু হবে। কচু শাক অনেক উপকারি একটি শাক আর যখন এটি চিংড়ি মাছের সাথে রান্না করা হয় তখন খুবই লোভনীয় হয়ে উঠে। অনেক সুন্দরভাবে প্রতিটি ধাপের মাধ্যমে আপনার রেসিপিটি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন।