লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী কিছু স্থান পরিদর্শন, সাথে কিছু ফটোগ্রাফি, পর্বঃ ৭ , 10% beneficiary to @shy-fox

in hive-129948 •  last month 

আসসালামুআলাইকুম ,

সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। অবশেষে প্রায় একমাস পরে বৃষ্টির মুখ দেখলাম। আজ দুদিন ধরে হালকা হালকা ভালই বৃষ্টি পড়ছে, ওয়েদার আগের থেকে অনেক ঠান্ডা হয়েছে। তাপমাত্রা এখন 37 ডিগ্রি থেকে 26 ডিগ্রি তে চলে এসেছে। এখন একটু শান্তি পাচ্ছি। এভাবে ধীরে ধীরে উইন্টার চলে আসবে।

যাই হোক লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী কিছু স্থানের ৬ষ্ঠ পর্ব নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আমি আপনাদেরকে নিয়ে যাব লন্ডন ন্যাচারাল হিস্টরি মিউজিয়াম এ। হিস্টোরিক্যাল অনেক কিছুই আছে এখানে, বিশাল এলাকা নিয়ে জায়গাটি গঠিত। এর পাশেই রয়েছে সাইন্স মিউজিয়াম, সেটিও দেখে ফেলেছি একই দিনে। একই দিনে কয়েকটি জায়গায় ঘোরার কারণে পুরো মিউজিয়াম গুলো ভালভাবে দেখতে পারেনি, পরবর্তীতে আবার কোন একদিন বেশি সময় নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখব। এই মিউজিয়াম একেবারে ফ্রী, কোন টিকিট কাটতে হয় না। যে কেউ ঢুকতে পারে, কোন বাঁধা নেই। যতটুকু পেয়েছি ঘুরে ঘুরে দেখেছি, আর কিছু ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করেছি, সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূলপর্বে।

FB46831A-03CE-4895-BEB0-9FA26B1BE97D.jpeg

মিউজিয়াম।

FDF04165-37D0-4BED-9BB4-E038CD031064.jpeg

9DABFAFC-E9D8-4E80-927B-A620F24D06E9.jpeg

জিরাফ।

02E52652-1CCF-4B32-B0EA-E058868427F5.jpeg

হাতির কঙ্কাল।

B418BB0C-D4B4-40DC-86E2-AD5D14CF7063.jpeg

ডারউইনের মূর্তি ।

C4A73F25-721B-445A-A860-345E590DC775.jpeg

881941B7-C02C-48B6-90B9-D21CBE1833EE.jpeg

9DE7A10F-B51C-4448-A26C-8C86E4CB10EE.jpeg

এগুলো মোরগ-মুরগি, মনে হচ্ছে একেবারে জীবিত। এই প্রজাতি গুলো এখনো বাংলাদেশে দেখা যায়।

271F05EF-43E0-4D72-916F-2AE0C25DC7B7.jpeg

এটি গাছের একটি অংশ ।চিন্তা করে দেখুন গাছটি কত চওড়া ও প্রশস্ত ছিল।

EAB6558A-DF7F-459E-AE48-3D7335E86423.jpeg

এটিও কিন্তু জীবন্ত নয়।

2A27E260-E40C-4AFE-9D2A-7703AE9C74BE.jpeg

মিউজিয়াম এর ভিতরের দিক।

A1D6EB75-4A06-4528-945D-47BF867E7EFB.jpeg

413ADADA-6A9F-477D-AEB3-6B7EA3EF2081.jpeg

1EF5B2BF-BB7B-4D05-8B41-5CCA01345AAE.jpeg

আদি যুগের রংবেরঙের নানা রকমের পাথর সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

BBFF6227-8DFE-4B34-AEAF-7E6FCC3D40C9.jpeg

মিউজিয়াম এর ভিতর।

what3words address:
https://w3w.co/raft.discrepancy.open

Photographer@tangera
DeviceI phone 13 Pro Max

বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।

পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।

ধন্যবাদ,

@tangera

1927F0BC-A81B-459C-A2F6-B603E4B2106C.png


👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :

👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

আপনার সুন্দর ফটোগ্রাফির মাধ্যমে লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী স্থানের ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম। এই জায়গাগুলো খুবই সুন্দর এবং ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

ঠিক বলেছেন ভাইয়া আসলেই এই জায়গাগুলো খুবই সুন্দর। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

তাপমাত্রা এখন 37 ডিগ্রি থেকে 26 ডিগ্রি তে চলে এসেছে।

তাহলে তো আগের থেকে কিছুটা ঠান্ডা পড়তেছে আপু এখন। লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী কিছু স্থান দর্শনের সাথে সাথে সে স্থানগুলোর ফটোগ্রাফি আপনি আপনার মোবাইলের ক্যামেরা বন্দী করে আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর ভাবে শেয়ার করেছেন। সত্যি বলতে আপু আপনার মোরগ-মুরগি ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মনে করেছি হয়তো তৈরি করা মোরগ-মুরগি কিন্তু নিচে দেখলাম আপনি লিখেছেন সত্যি মোরগ-মুরগি তাই একটু অবাক হয়ে গেলাম। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।

আমিও যখন প্রথম দেখেছিলাম ভেবেছিলাম এগুলো জীবন্ত, পরে দেখি জীবন্ত নয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।

অবশেষে বৃষ্টির দেখা পেয়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো আপু। বর্তমানে প্রচণ্ড গরম পড়েছে। এই গরমে বৃষ্টি এলে ভালোই লাগে। যাইহোক আপু আপনি আপনার পরিবার নিয়ে মিউজিয়ামে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন এটা বুঝতে পারছি। ফটোগ্রাফি দেখে মনে হচ্ছে যেন জীবন্ত মোরগ মুরগি। একেবারে জীবন্ত লাগছে। আপু আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে মিউজিয়ামের ভিতরের দৃশ্য সকলের মাঝে তুলে ধরেছেন এবং আমাদেরকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু। আপনার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইলো। ♥️♥️♥️

তোমাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী স্থান ভ্রমণ করে আপনি অসাধারণ সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। আপু আমি তো প্রথম মনে করেছিলাম মোরগ মুরগী গুলো সম্পূর্ণভাবে জীবিত। এদেরকে দেখে কেউ বলতে পারবে না যারা জীবিত নয়। অসাধারণ একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

জ্বী ভাইয়া দূর থেকে দেখলে একেবারেই জীবন্ত মনে হয়, আমিও প্রথম তাই ভেবেছিলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

ছবি গল্পে লন্ডন দেখতে বেশ ভালই লাগে আপু । একে একে তো অনেক কিছুই দেখে ফেললাম । মিউজিয়ামের টিকিট ফ্রি শুনে খুব ভাল লাগলো । এবারা বিমানের টিকিট ফ্রি পেলে একদিন ঘুরে আসা যাবে হা হা 🙂🙂🙂 । মুরগীর মুর্তি গুলো আসলেই জীবন্ত মনে হচ্ছে । ডারউইনের পাশে ঐটা কি ভাইয়ার ছবি নাকি আপু ??
পাথর গুলা দেখেও মনে হচ্ছে একে বারে চকচক করছে কেবল খনি থেকে তুলে এনে পরিষ্কার করে এখানে রাখা হয়েছে ।
ধন্যবাদ আপু আরো সুন্দর সুন্দর কিছু দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় রইলাম ।

জ্বী ভাইয়া ডারউইনের পাশে আপনাদের ভাইয়া দাঁড়িয়ে আছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।

ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোতে ভ্রমণের মাধ্যমে অনেক কিছু শেখা যায়। আপু লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোতে ভ্রমণ করে আপনার শেয়ার করা বিভিন্ন দৃশ্য গুলো দেখে আসলে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু কতগুলো সুন্দর ঐতিহ্যবাহী দৃশ্য আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

জি ভাইয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করে আমারও খুবই ভালো লাগছে, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার আজকের এই এত সুন্দর একটি পোস্ট এর মধ্য দিয়ে নতুন একটি স্থান সম্পর্কে জানতে পেরে এবং দেখতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগলো। আপনি খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন বর্ণনা সহিত তাই পোস্টটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। আপনার জন্য নতুন কিছু একটা জানতে পারলাম।

আমারও খুবই ভালো যখন আপনাদেরও অনেক ভালো লাগে, ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার জন্য লন্ডনের অনেক জায়গায় আমরা দেখতে পাই। খুব ভালো লাগে এই যে এগুলো দেখালেন, কত সুন্দর লাগলো দেখে । ধন্যবাদ দিদি। মাঝে মাঝেই এমন সুন্দর পোস্ট গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন। সত্যি খুব ভালো লাগে।

অবশ্যই ভাইয়া, সব সময়ই চেষ্টা করি নতুন নতুন কিছু স্থান আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

ভীষণই সুন্দর পোস্ট। মিউজিয়াম দেখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। হাতির কঙ্কালটা আমাদের ভারতীয় সংগ্রহশালার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। আপনার জন্য দারুন কিছু জিনিস দেখলাম আর অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ দিদি।

আমারও অনেক ভালো লাগলো আপু আমার পোস্টটি তোমার ভালো লেগেছে।

শুধু মিউজিয়ামের নিখুঁত কারু কাজের কথাটাই বলি কি চমৎকার দেখতে, আসলে এমন সৌন্দর্য সরাসরি সামনে থেকে না দেখলে পুরোপুরি ফিলিংস আসে না। ফটোগ্রাফি গুলো তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।