মুচমুচে পিঁয়াজি রেসিপি ।//১০% পেআউট লাজুক খ্যাঁক-কে

in hive-129948 •  last month 

নমস্কার বন্ধুরা,


আশা করি সবাই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন।বেশ কিছুদিন ধরেই পরীক্ষার চাপে ছিলাম। আজ একটু ফ্রি থাকাতে হঠাৎ মনে হলো সন্ধ্যাবেলা কিছু তৈরি করি।যেটা খুব কম সময়ের মধ্যে তৈরি হয়ে যায়। আর সন্ধ্যেবেলা খাওয়ার জন্য খুব মুখরোচক একটি খাবার বলা যেতে পারে ।বিকেলে চায়ের সাথে কিংবা মুড়ির সাথে খুবই ভালো লাগে খেতে। তাই আজ আমি আপনাদের সঙ্গে পিয়াঁজি তৈরি করে ভাগ করে নিলাম।। আশা করি এই রেসিপিটি আপনাদের সকলের খুব ভালো লাগবে।



WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.37 PM (1).jpeg


চলুন তাহলে শুরু করা যাক রেসিপিটি।


মুচমুচে পিঁয়াজি রেসিপি তৈরী করার পদ্ধতি


উপকরণের নামপরিমাণ
১. পিঁয়াজ২ আটি
২. তেলপরিমান মতো
৩. বেসন৩ চামচ
৪ হলুদ গুঁড়ো১ চামচ
৫. লঙ্কা গুঁড়ো১ চামচ
৬. কলো জিরে১ চামচ
৭. লঙ্কা কুচি২ টো
৮. কর্নফ্লাওয়ার১ চামচ

রন্ধন প্রণালী :



প্রথম ধাপ


• প্রথমে চারটে বড় পেঁয়াজ নিয়ে নিলাম।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.42 PM.jpeg


দ্বিতীয় ধাপ


• তারপর পেঁয়াজগুলো কে ধুয়ে চোকলা ছাড়িয়ে ঝিরিঝিরি করে কেটে নিলাম।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 11.01.29 PM.jpeg


তৃতীয় ধাপ


• তারপর পিয়াজ গুলো কেটে নেওয়ার পর তাতে তিন চামচ মত বেসন দিলাম।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 11.02.39 PM.jpeg


চতুর্থ ধাপ


• এরপর এক চামচ মতো হলুদ গুঁড়ো দিলাম।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 11.23.39 PM.jpeg


পঞ্চম ধাপ


• এরপর এক চামচ কালো জিরে দিলাম।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 11.26.18 PM.jpeg


ষষ্ঠ ধাপ


• এরপর এক চামচ লঙ্কার গুঁড়ো দিলাম।।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.40 PM.jpeg


সপ্তম ধাপ


• এরপর দু চামচ কর্নফ্লাওয়ার দিলাম।এবং দুটো লঙ্কা কুচি দিলাম।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.39 PM (2).jpeg


অষ্টম ধাপ


• সবশেষে পরিমান মত লবন দিয়েছি এবং ভাল করে মেখে নিয়েছি।এমনভাবে মেখে নিলাম যাতে একটা আঠালো ভাব থাকে।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 11.29.50 PM.jpeg


নবম ধাপ


• এরপর এরপর একটি কড়াইতে তেল বসালাম এবং তেলটা হালকা আঁচে গরম করে নিলাম।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.39 PM (1).jpeg


দশম ধাপ


WhatsApp Image 2022-05-23 at 11.33.17 PM.jpeg




একাদশ ধাপ


• অল্প লাল লাল করে ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিলাম একটি পাত্রে।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.39 PM.jpeg

WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.38 PM (1).jpeg


দ্বাদশ ধাপ


• ব্যস এই ভাবে তৈরি হয়ে গেল মুচমুচে পিঁয়াজি রেসিপি।

WhatsApp Image 2022-05-23 at 10.45.38 PM.jpeg



ধন্যবাদ



Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

দিদি মনি পিঁয়াজি আমার এমনকি খুব প্রিয় আবার যদি সেটি হয় নিজের বাড়ির তৈরি মুচমুচে সুস্বাদু পিঁয়াজি তাহলে তো কোন কথায় নেই, যাইহোক আপনার পিঁয়াজি তৈরি পদ্ধতি আমার খুবই ভালো লেগেছে দেখেই বুঝা যাচ্ছে খুবই মুচমুচে হয়েছে আর খেতেও অনেক সুস্বাদু হয়েছে, আর আপনার উপস্থাপনাও খুব সুন্দর ছিলো, শুভকামনা রইলো আপনার জন্য প্রিয় দিদি মনি।

দিদি এমনিতেই পেটে ক্ষুধা তারপর আবার আপনার এই চমৎকার পেঁয়াজি দেখে সেটা আরো বেড়ে গেলো। এত রাতে এখন পেঁয়াজি পাই কোথাই। দারুন হয়েছে আপনার রেসিপিটা। ধন্যবাদ আপনাকে।

দিদি যতগুলো ফাস্টফুড আছে সবগুলোর মাঝে পেয়েছি রে আমার বেশি ভালো লাগে। আমি নিজেও বাসায় অনেকবার পেয়েজি রান্না করেছি। আপনি খুব সুন্দর ভাবে লোভনীয় করে একট পিয়াজি রেসিপি তৈরি করেছেন এবং আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এত সুন্দর ভাবে লোভনীয় করে রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি। ভালোবাসা নেবেন।

আপনার মুচমুচে পিয়াজু রেসিপি টা দেখেই জিভে জল এসে গেলো। পেঁয়াজি আমাদের রমজান মাসে প্রচুর পরিমাণে খাওয়া হয়। আর এমনিতে আমি একটু কম খাই। তবে আপনার পেঁয়াজি রেসিপি টা দেখে খেতে মন চাইছে। অসাধারণ ছিল আপনার উপস্থাপনা। আমাদের সাথে এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

পিয়াজু রেসিপি দেখলেই যেন মনটা শান্তি হয়ে যায়। আমি গ্রামের বাড়িতে গেলেই গ্রামের একটা দোকান থেকে নিয়মিত পিয়াজু ভাজা খেয়ে থাকি। আমার কাছে অসাধারণ লাগে। আপনি খুব সুন্দর করে একটি পিয়াজু ভাজি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। যা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। সেইসাথে আপনার উপস্থাপনা অনেক ভাল ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম সুন্দর একটি পিয়াজু রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

আপনার পেঁয়াজিগুলো দেখতে একেবারে দোকানের মতই হয়েছে। দেখে মনে হয়েছে খুবই মুচমুচে হয়েছে কালারটা দেখে তাই মনে হচ্ছে। বেসন ও বেশি করে পেঁয়াজ দিয়ে এভাবে পেঁয়াজি বানালে খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর করে প্রতিটি ধাপে ধাপে পেঁয়াজের রেসিপি শেয়ার করেছেন আবার সাথে কালোজিরা দিয়েছেন। কালোজিরা দেয়ার কারণে মনে হয় অন্যরকম মজা লাগে খেতে আমিও খেয়েছি এরকম করে আগেও।

দিদি, আপনার পিঁয়াজি রেসিপি খুব সুন্দর ভাবে আপনি উপস্থাপন করেছেন। আমি পিঁয়াজি প্রায় প্রতিদিনই খাই। তবে বেশির ভাগই বাইরে খাওয়া হয়। তবে আপনার রেসিপি দেখে খুবই ভালো পিঁয়াজি তৈরির পদ্ধতি জানতে পারলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

অনেকদিন হলো বাড়িতে এভাবে পিয়াজু রেসিপি তৈরি করে খাওয়া হয় না ।যেটা বাজারে গেলেই খাওয়া হয় মুখরোচক খাবার। বন্ধুদের সাথে এই খাবার খেতে উপভোগ করতে খুবই পছন্দ করি। আমার কাছে অনেক ভালো লাগলো আপু।

আসলে দিদি সবসময় বাজার থেকে পিয়াজু কিনে খাওয়া হয় কিন্তু কোন সময় বাড়িতে তৈরি করে খাওয়া হয় না। সকাল-সকাল আপনি এমন লোভনীয় ভাবে পিয়াজু দেখে আর মাথায় কাজ করছে না। আপনি খুবই চমৎকার ভাবে পিয়াজু তৈরি করার পদ্ধতি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।

উফফ দিদি, মচমচে পেঁয়াজি গুলো দেখে খুবই লোভ লাগছে। 😋😋 পেঁয়াজি আমার কাছে খুবই ভালো লাগে খেতে। খুবই লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন দিদি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি এত সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

সব সময় মসুরের কিংবা খেসারির ডাল দিয়ে পেয়াজু খেয়েছি।কিন্তু কখনো এভাবে পিঁয়াজ ও বেসন দিয়ে কখনো খাওয়া হয় নি।মনে হচ্ছে খেতে বেশ মজা হয়েছে। প্রতিটি ধাপ আপনি খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ

দিদি আপনার রেসিপি দেখে জিভে জল চলে এসেছে। মুচমুচে পিঁয়াজি রেসিপি দেখতেও খুব ভালো দেখাচ্ছে ‌‌ । পিঁয়াজি পছন্দ করে না এমন খুব কমই রয়েছে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল। এতো সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি।

পেঁয়াজি খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। আপনার পেঁয়াজি গুলো দেখে খুব খেতে ইচ্ছে করছে আপু। দেখে মনে হচ্ছে সত্যি খুব মুচমুচে হয়েছে। খুব লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

পিয়াজু চপ সিঙ্গারা আমার খুব ফেভারিট সাথে বদলাবো না থাকে তাহলে তো কোন কথাই নেই গত কাল খেয়েছি ছোলা পেঁয়াজু আপনি লোভনীয় ভাবে প্রস্তুত করেছেন দেখেই জিভে জল চলে আসলো খেতে নিশ্চয়ই ভারি মজা হয়েছিল

আপু সত্যি বলতে আমার কখনো এভাবে পিঁয়াজি খাওয়া হয়নি। মনে হচ্ছে যে একদম ইউনিক একটি রেসিপি শিখে নিলাম। এবং চোখ বন্ধ করে বলতে পারব ভীষণ মজাদার হয়েছে খাবারটি। আমি অবশ্যই এটি এবার বাসায় ট্রাই করে দেখব। অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে এবং আপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো আমার পক্ষ থেকে।

একদম ঠিক বলেছেন, বিকেলের জন্য একদম মুখরোচক একটি খাবার তৈরি করলেন। আমি তো মনে করি পেঁয়াজি যে কেউ খেতে পছন্দ করে। আর আমার তো একদম প্রিয় একটি খাবার। আপনার তৈরি করা দেখে আমারও তৈরি করতে ইচ্ছে করতেছে। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

মুচমুচে পিয়াজু রেসিপি শেয়ার করেছেন আর সেটা পরিবেশন করার পর যখন টমেটো সস আর কাঁচামরিচ একসাথে দিয়েছেন তখন দেখতে আরো বেশী লোভনীয় লাগছিল।
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো দিদি।

পিয়াজি খেতে আমার খুব ভালো লাগে। এরকমভাবে পিয়াজি করলে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। আপনার আজকে পিয়াজের রেসিপি দেখে যাচ্ছে খেতে খুবই মজাদার। আমার তো দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে।

দিদি পিঁয়াজি আমার খুবই প্রিয়। আপনার তৈরি এই পিঁয়াজি দেখে আমার জিভে জল চলে এসেছে। খেতে খুব ইচ্ছা করছে। কিন্তু উপায় নেই ফোনের ভিতরে দিয়ে আপনার তৈরি পিঁয়াজি আমি খেতে পারব না। যাইহোক দিদি আপনার তৈরি পিঁয়াজি দেখে মনে হচ্ছে খুবই সুস্বাদু হবে। আমাদের মাঝে এত সুন্দরভাবে পিঁয়াজি তৈরির পদ্ধতি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি দিদি।

আমাদের বাসায় পিঁয়াজি বলা হয় একেবারেই ভিন্ন কিছুকে।তবে আপনাদের পিঁয়াজিই কিন্তু জাস্ট অসম্ভব লোভনীয়।

মচমচে পিয়াজু রেসিপি খুবই মুখোরোচক একটি খাবার। পিয়াজু খেতে আমার কাছে খুবই সুস্বাদু লাগে। কিভাবে তৈরি করতে হবে তা আপনার রেসিপি দেখে শিখে নিতে পারলাম। এত সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

বিকালের চা এর সাথে অথবা মুড়ির সাথে সত্যিই পিয়াজি খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। আপনি ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুবই সুন্দরভাবে পিয়াজি তৈরি করেছেন আপু। বিশেষ করে পিঁয়াজির প্লেটিং টা দেখেই খাওয়ার জন্য আরও বেশি লোভ লেগে গেলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে মুচমুচে পিয়াজি তৈরির রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

খুবই চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে মচমচে পিয়াজু রেসিপি শেয়ার করেছেন আপনারা পিয়াজু রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি ছিল। মাঝেমাঝেই রাস্তার পাশের দোকান গুলো থেকে এটা খাওয়া হয় ।শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

একেতো আপনি চমৎকার ভাবে এই রেসিপিটি আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, এবং এত সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করেছেন এটি দেখেই মন মুগ্ধ হয়ে গেল, টমেটো সস কাঁচামরিচ ধনেপাতা দারুন ভাবে পরিবেশন করেছেন।

দিদি মুচমুচে পিয়াজু রেসিপি দেখে জিভে জল চলে আসলো। এমনিতেই আমার পেয়াজু অনেক ভালো লাগে তার মধ্যে আপনি এত সুন্দর ভাবে পিয়াজু রেসিপি বানিয়ে নিয়ে এসেছে দেখে মনে হচ্ছে এখনি খেয়ে নেই। আপনি খুব সুন্দর ভাবে ধাপগুলো বর্ণনা করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।