শেষটা খারাপ ছিল।

in hive-129948 •  2 months ago  (edited)

হ্যালো বন্ধুরা,, কেমন আছেন সবাই?? আজকে দুপুরের দিকে আমি একটা পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চেয়েছিলাম কিন্তু হঠাৎ করে একটা কাজ বেড়ে গেল। সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস থেকে গতকালকে ফোন দিয়েছিল। আমার নামে একটা পার্সেল এসেছে। পার্সেলটা আজকে নিয়ে আসার কথা ছিল । প্রায় প্রতিদিনই দুপুরে গোসল খাওয়া-দাওয়া শেষ করে পোস্ট লিখি। আজকেও বসেছিলাম পোস্ট লেখার জন্য। কিন্তু যখন মনে পড়লো আজকে আমার পার্সেলটা রিসিভ করতে হবে তখন একটা ছোট ভাইকে ফোন দিলাম ওর গাড়ি নিয়ে আসতে। দুজন একসাথেই যাব। ওর একটা কাজ ছিল, এজন্য কিছু সময় লেট হবে। ততক্ষণে আমি ভাবলাম রেডি হয়ে একটু বাইরে যাই। সারাদিন কোথাও যেতে পারিনি। সকালে ঘুম থেকে উঠতে উঠতে নয়টা দশটা বেজে যায়। পরে কমিউনিটির কাজগুলো সেরে গোসল খাওয়া-দাওয়া করতে করতে দুইটা বেজে যায়। এজন্য দিনেরবেলার বাইরে কোথাও যাওয়া হয়না।তবে বিকালে একটু সময় সুযোগ পেলে, সুযোগটা আর হাতছাড়া করি না। এজন্য আজকে মনে হচ্ছিল কাজটাও হয়ে যাবে আর একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসা হয়ে যাবে।

1637503408617-01.jpeg
Picture was taken by: Xiaomi Redmi note 9 pro max Mobile

যেহেতু ওর আসতে একটু দেরি হবে তাই আমি রেডি হয়ে একটু মাঠের দিকে গেলাম। আমাদের বাড়ির পাশে একটা বড় মাঠ আছে। সে মাঠের মাঝখান দিয়ে আবার একটি সরু রাস্তা। ঐ রাস্তা দিয়ে বিকাল টাইমে হাটাহাটি করতে মন্দ লাগে না। এখনতো ধান কাটার ধুম পড়ে গেছে। মাঠে গেলেই পাকা ধানের গন্ধ নাকে লাগে। অদ্ভুত সুন্দর একটা ভালো লাগা কাজ করে এই গন্ধটা আমার কাছে। হাটাহাটি করতে করতে মাঠের প্রায় মাঝখানে চলে গেলাম। মাঠের মাঝখানে বলতে যেহেতু রাস্তা আছে ঐখানে , ওই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মাঝামাঝি পজিশন পর্যন্ত গেলাম।দেখলাম কৃষকরা ধান কাটছে। একসাইডে সবেমাত্র ধান কাটা শুরু করেছে, অন্য একটা সাইডে ধান কাটা শেষ। ধানগুলো শুকানোর জন্য মাঠে রেখে দিয়েছে। আবার অন্যদিকে দেখলাম শুকিয়ে যাওয়া ধান মাথায় করে কয়েকজন বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ধান কেটে সাধারণত বাড়িতে নিয়ে যাওয়া ঝামেলা বেশি। বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আবার শুকোতে হয়। এখানে জায়গা স্বল্পতার একটি ঝামেলা আছে। এজন্য মাঠে রেখে শুকানো টাই সর্বোত্তম পদ্ধতি।
1637503284564-01.jpeg
Picture was taken by: Xiaomi Redmi note 9 pro max Mobile

1637503343597-01.jpeg1637503376598-01.jpeg

মাঠে যখন এমন পরিবেশ, তখন আরো একটি সুন্দর দৃশ্য আপনার চোখে পড়বে। সেটা হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে পাখি যেগুলো কেটে রাখা ধানের উপর এসে বসে থাকে, আর ধান খুঁটে খুঁটে খায়। মাঝেমধ্যে যখন উড়ে যায় তখন দলবেঁধে উড়ে যায়। ওই দৃশ্যটা দেখতে খুব দারুণ লাগে। পাখিদের মধ্যে যেন এখন একটা উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কেউ বাধা দিচ্ছে না। মনের সুখে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই খেয়ে আবার নিজ নিজ বাসায় ফিরে যাচ্ছে। আসলে পশুপাখি বা যেকোনো জীবজন্তুই স্বাধীন অবস্থায় সুন্দর । তাদেরকে যদি সোনার খাঁচায় রেখে দেয়া হয় তবুও তারা অসুখী। আসলে বন্যরা বনেই সুন্দর । এটা তো আমরা সবাই জানি।
1637503318796-01.jpeg
Picture was taken by: Xiaomi Redmi note 9 pro max Mobile

যাইহোক, এসব দেখতে দেখতে প্রায় দশ পনের মিনিট কাটিয়ে দিলাম। মনে হচ্ছিল মাঠের মধ্যে আরও কিছু সময় থেকে যাই। কিন্তু যেহেতু শহরের দিকে যেতে হবে তাই চলে আসলাম। মাঠ থেকে আসার পর ঐ ভাইটিকে আবারো ফোন দিলাম। ও বললো ছোট্ট একটি কাজের মধ্যে পড়ে গেছে। এজন্য একটু দেরি হবে। আমি চিন্তা করলাম এরই মাঝে আরেকটি কাজ করে ফেলানো যায়। একটি বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর দোকানে গেলাম। ওখানে গিয়ে কিছু টাকা ক্যাশ আউট করলাম। ততক্ষণে আরো প্রায় ২০ মিনিট কেটে গেছে। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম। কিছু সময় পর হঠাৎ ঐ ছোট ভাইটি আমাকে ফোন দিল। ফোন দিয়ে বলল আমাদের এদিকে আসার সময় হঠাৎ একটা এক্সিডেন্ট করেছে ওরা। ফোন পাওয়ার পর আর এক মুহূর্ত দেরি না করে একটি ইজিবাইকে করে ওরা যেখানে ছিল ওইখানে চলে গেলাম। যাওয়ার পর দেখলাম ওইখানে প্রচুর মানুষ। ওর পায়ের দুইটা আঙ্গুলের নখ উঠে গেছে। বাইক ভেঙে গেছে তিন চার জায়গায়। তখনই আমার এক ভাগ্নে কোথা থেকে যেন ওখানে চলে আসলো। এসে বাইকটা নিয়ে বাজারের গ্যারেজের দিকে চলে গেল। আর আমি ওই ভাইটিকে নিয়ে বাজারের ডক্টরের কাছে গেলাম । ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা গুলো করিয়ে নিলাম। আর যা যা ওষুধ ছিল সেগুলো নিয়ে একটা চাচার দোকানে চলে গেলাম।

মোটামুটি গুরুতর ছিল। আমার ঐ ছোট ভাইটি মানসিক দিক থেকে ভালোই শক্ত। ওরে বাড়ি যেতে বললাম ও বলল বাজারে থাকতে বেশী ভালো লাগছে। কি আর করা যেহেতু বাজারেই থাকবে, ওর সাথে বাজারের এক সাইডে গিয়ে কয়েকজন কিছু সময় আড্ডা দিলাম। এরপর যখন সন্ধ্যা লেগে গেল ওই সময় ওকে নিয়ে বাড়ির দিকে চলে আসলাম। ওকে বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে আমি সোজা আমার বাড়িতে চলে আসলাম। আজকে পার্সেলটা আর আনা হল না। আগামীকাল আবার যেতে হবে পার্সেলটা আনার জন্য।

Polish_20211121_202931778.png
Screenshot was taken From: BoishakhiZone FB page

আচ্ছা, এবার পার্সেলের ব্যাপার একটু বলি। আমাদের কমিউনিটির ই একজন পরিশ্রমি মেম্বার @saifulraju. উনি অনলাইনে বিজনেস করেন। কিছুদিন আগেই উনার ফেসবুক পেইজ আমার নজরে আসে। উনার বিজনেস মডেল, উনার কাজের কোয়ালিটি সব কিছুই আমার কাছে খুবই ভাল লেগেছিল। পরবর্তীতে উনার পেইজ থেকে দুটি প্রোডাক্ট পছন্দ করে অর্ডার করেছিলাম। দুই থেকে তিন দিন আগে উনি প্রোডাক্ট গুলো আমার ঠিকানায় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।আজকে রিসিভ করার কথা ছিল কিন্তু আজকের কাহিনী তো আপনাদের কে বললাম। দেখা যাক কালকে প্রোডাক্টে দুটি নিয়ে আসব। @saifulraju ভাইকে অনেক ধন্যবাদ দ্রুত প্রডাক্ট দুটি পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য। যাই হোক, আজ আর লিখছি না। পরবর্তী কোন পোস্টে আবার সবার সাথে কথা হবে দেখা হবে। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। খোদা হাফেজ।



JOIN WITH US ON DISCORD SERVER

banner-abb4.png

Follow @amarbanglablog for last updates


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

গ্রামের ধান ক্ষেত এর সৌন্দর্য্যের তুলনা হয় না। বিশেষ করে যখন পেকে যায় সম্পূর্ণ ক্ষেত সোনালী আকার ধারণ করে। কৃষকের ধান কাটা, দীর্ঘদিন ধান শুকানোর জন্য জমিতে রেখে দেওয়া, কেটে রাখা ধানে পাখি উড়ে চলা সবকিছুর সৌন্দর্য আপনি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তবে শেষ অংশে রাজু ভাইয়ের প্রোডাক্টের পার্সেল নিতে গিয়ে আপনার ছোট ভাইয়ের এক্সিডেন্টের বিষয়টি আমার কাছে খুব খারাপ লাগল। রাস্তাঘাটে আমাদের সবাইকে সাবধানে চলাফেরা করা উচিত। ধন্যবাদ আপনাকে।

ঠিক বলেছেন। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার ছোট ভাইটার এক্সিডেন্ট এর কথা শুনেই খারাপ লাগলো। নিয়তি আমাদের কোথায় নিয়ে যায় সেটা বলা দায়। তার সুস্থতা কামনা করছি। তবে আপনি যেই ছবিগুলো প্রথমে দেখালেন সেগুলো খুব ভালো লেগেছে।

সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

ছোট ভাইয়ের সুস্থতা কামনা করছি।

ভাইয়া আপনার বিকেলের ঘুরাঘুরি মুহূর্ত গুলো খুব ভালো লেগেছে।
সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে মাঠ ভরা পাকা ধান অন্য পাশে ধান মাঠে রেখেই শুকানো।অনেক ভালো লাগেছে ভাইয়া,তবে সব থেকে খারাপ লেগেছে আপনার ছোট ভাইটির জন্য।আল্লাহ যেনও আপনার ছোট ভাইটিকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করে দেয়।

👐আমিন👐

প্রথমে আপনার পোষ্টটি পড়ে খুবই ভালো লাগছিল, সত্যি কথা বলতে আমি এরকম পাকা ধানের জমি কখনোই দেখিনি। ছবিটা যতই দেখছি ততই যেন দেখতে ভালো লাগছে । প্রকৃতির খুব সুন্দর সুন্দর মুহূর্তগুলোকে আপনি তুলে ধরেছেন। আমাদের কলকাতাতে এত সুন্দর দৃশ্য কখনো দেখার সুযোগই হয়ে ওঠেনি।এই জন্যই গ্রাম্য পরিবেশ খুব ভালো লাগে আমার। কিন্তু শেষের লাইনগুলো পড়ে খুব খারাপ লাগলো আমার আপনার ছোট ভাইটির জন্য। আমি আপনার ভাইয়ের তাড়াতাড়ি সুস্থতা কামনা করি।

আমি গ্রামীণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে পোস্ট করতে বেশি পছন্দ করি। মাঝেমধ্যে এমন সৌন্দর্য সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি।
সময় সুযোগ পেলে একদিন গ্রামের দিকে ঘুরতে যাবেন। খাঁটি প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পারবেন।

সত্যি খুব খারাপ লাগলো ভাইয়া। ইসসস বাইক এক্সিডেন্ট ফাও এই শীতের সময়🥺🥺🥺।

আমি তো ক্যাপশন দেখে ভাবছিলাম আমার পারসেল পছন্দ হয়ে নাই পরে দেখলাম না ঘটনা অন্য রকম। আসলে আমার একটা বিষয় এখানে জড়িয়ে থাকার জন্য খুব খারাপ লাগছে নিজের কাছে।
আপনার পোস্ট করার পরে এক আপু নক দিয়ে পেজের লিং নিয়েছে 🥰।
দোয়া রইল ওই ভাই টার জন্য আল্লাহ সুস্থ করে দিন আমিন।

তাহলে তো আমি প্রমোশন করে দিলাম 😆

হাহাহাহাহাহাহ। তাই তো দেখছি হাহাহাহহা।

ভাই আপনার প্রতিটি ছবি গ্রামের সৌন্দর্য যেন তুলে ধরেছে। পাকা ধানের অমূল্য রতন এর ছবি। এখন কমবেশি আমাদের দেশে নবান্ন উৎসব পালন হচ্ছে ধান কাটা নিয়ে। আর আপনার বিকাল টি অনেক রোমাঞ্চকর ছিল।
তবে আপনার এই ছোট ভাইটির এক্সিডেন্ট টা দুর্ঘটনার ছিল। বাইক চালানোর সময় একটু সাবধানতা নিয়ে চালাতে হয়। যাই হোক আপনার ওই ভাইটি যাতে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয় এই দোয়াই রইল।

খারাপ ভালো নেই আপনার সময়টি কেটেছে আছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

দোয়া করি ওই ভাইটি যেনো খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায়। কারণ এই শীত এর সময়ে আসলে যেকোনো কাটাছেঁড়া শুকাতে এমনিতেই অনেক সময় লাগে। তার উপর উনি তো একেবারে একসিডেন্ট করেছেন।ব্যাপারটা সত্যিই খুব দুঃখজনক। আপনিও তাড়াতাড়ি সাহায্য করতে গিয়েছেন যেটা আমার কাছে খুব বেশি ভালো লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আসলেও শীতের সময় কাটা ছেঁড়া খুবই মারাত্মক।

এভাবেই হুট করে না চাইতেও অনাকাঙ্খিত এক্সিডেন্ট হয়ে থাকে যা আমরা ভাবতেও পারিনা অনেক সময় ।আপনার ছোট ভাইটির প্রতি দোয়া থাকলো ভাই ।ধন্যবাদ ভাই আপনার বিষেশ মুহুর্তগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ।

  ·  2 months ago (edited)

আপনার বিকেল বেলায় সামান্য ঘুরতে আসার মুহূর্ত
টা আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। একদিকে পাকা ধানের সুগন্ধ অন্যদিকে পাখি উড়ে যাওয়া অসাধারণ দৃশ্য যা পড়ে আমার মনটা জুড়িয়ে গেল ।আমাদের এখানেও ধান কাটা হচ্ছে আমি মাঝেমধ্যে সেখানে যাই আমার অনেক ভালো লাগে । আমাদের সামান্য পরিমাণ কিছু ধান রয়েছে যেগুলো আমি এবং আমার আব্বু কিছুদিন আগেই কেটেছি খুব ভালো অনুভূতি ছিল । ভাইয়া অসাধারন মুহুর্ত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল দোয়া করি আরো এগিয়ে যান।

পাখি উড়ে যাওয়ার দৃশ্য টা আমি খুব তাড়াহুড়ো করে তুলেছিলাম। আমি আরো অনেকগুলো পাখি ফ্রেমের মধ্যে রেখে ছবি তুলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পাখিগুলো আগেই উড়ে গিয়েছিল।

গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি গুলো এতটাই সুন্দর যে বলে মনের ভাব প্রকাশ করা যাবে না। প্রকৃতির নতুন নতুন রুপ সবসময় মনমুগ্ধকর করে মানুষের মনকে। আর গ্রামের প্রকৃতি এমন যে সম্পূর্ণ দিনটি শুধু দেখে যান তারপর মনের ভিতর তৃপ্তি মিটবে না। ভাই আপনি অসাধারণ ভাবে আপনার গ্রামের ছবিগুলো তুলেছেন।
গল্পের শুরুটা অনেক রোমাঞ্চকর ভাবে পড়তে যখন শুরু করলাম, কিন্তু শেষে এসে এক্সিডেন্টের কথা শুনে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেছে। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি আপনার সেই ছোট ভাইকে সুস্থ রাখে।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

সময় নিয়ে পোস্টটি উপভোগ করার জন্য ধন্যবাদ।

জীবনে অনেক কিছুই আসলে হঠাৎ করেই হয়ে যায় যা আমরা কল্পনাও করতে পারিনা। মাঠ হতে এজেন্ট পর্যন্ত কত ভাল ছিল সময়টা কিন্তু হঠাৎ এক্সিডেন্ট এর খবর সত্যিই জীবন একেবারে অনিশ্চিত।

গুরতর আঘাত বাইকের উপর দিয়ে গেছে তাই সে অনেকটা আঘাত হতে রক্ষা পেয়েছে বলে আমার মনে হয়। মনোবল শক্ত থাকাটা অনেক ভাল বিষয়। দ্রুত সুস্থ হোক আর নখগুলো ঠিক হোক এই দোয়া রইল।

আপনি ঠিক ধরেছেন।।। বাইকের উপর দিয়ে অনেক বড় ঝড় চলে গেছে। বাইকের উপর যে আঘাতটা লেগেছে, ওটা বাইকের উপর না লেগে বাইকের আরোহীর উপর লাগলে অবস্থা খারাপ হয়ে যেত।

ভাবনাগুলো এক নিমিষেই
হারিয়ে কেন যায়
পরিস্থিতির কাছে যেন
আমরা অসহায়

আঁধার শেষে আসবে আলো
এটা সবাই জানি
পার্সেল পেলে খুশি হবেন
এটাও মোরা মানি।

সুস্থ হোক ভাই মোদের
এই কামনা করি
প্রেমময় বাংলা ব্লগ
সবাই মিলে গড়ি।
♥♥

অনেক সুন্দর লিখেছেন আপু। আপনাকে ধন্যবাদ।

শুরুটা সুন্দর মুহূর্ত দিয়ে শুরু হয়েছিল। কিন্তু শেষটা সত্যি খারাপ লাগার মত ছিল। শুরুর লেখাগুলো পড়ে আমি সেই প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গিয়েছিলাম। এখন চারপাশে ধান কাটার মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। কৃষকেরা মাঠের ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সেই সাথে তাদের মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। অন্যদিকে পাখিরা ও অন্যান্য প্রাণী গুলো তাদের খাবার সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। লেখাগুলো পড়তে পড়তে এক সময়ে সেই কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু শেষের লেখা গুলো দেখে অনেকটা খারাপ লাগলো। এক্সিডেন্ট প্রতিনিয়ত আমাদের আপনজনদের সাথে ঘটে চলেছে। যাই হোক দোয়া করি সে যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। শুভকামনা রইল আপনাদের জন্য।

আমার পাঠিকা কে আমার লেখাগুলোর মধ্যে দিয়ে কল্পনাতে হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে পেরেছি,, এটাই আমার সার্থকতা।

ভাইয়া আপনার ঐ ছোট ভাইয়ের জন্য অফুরন্ত দোয়া রইল।সে যেন খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন এটাই মহান আল্লাহতালার কাছে কামনা করি। ভাই আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

পাকা ধানের মিষ্টি গন্ধ আমার অনেক ভালো লাগে ভাইয়া। আমি ছোটবেলায় গ্রামে বড় হয়েছি। তাই গ্রামের মাটির গন্ধ ও পাকা ধানের মিষ্টি গন্ধ আমার খুবই পছন্দের। আপনার পোষ্টটি পড়ে ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে গেল। কৃষকরা যখন ধান কাটতে ব্যস্ত থাকত তখন আমিও ধানের ক্ষেতে যেতাম। ছোটবেলায় আমার খেলার সাথীদের সাথে মিলে ধান কুড়াতাম। সত্যি সেই দিনগুলো অনেক আনন্দের ছিল। ইঁদুরের গর্তে হাত ঢুকিয়ে ধান বের করতাম। সেই দিনগুলোর কথা মনে হলে অনেক ভালো লাগে। তবে আপনার ছোট ভাইয়ের এক্সিডেন্ট এর কথা শুনে খারাপ লাগছে। আমি তার সুস্থ জীবন কামনা করছি।আপনার ছোট ভাই যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায় এই দোয়া করি।

শুরুটা না শেষটাও ভালো ছিলো কিন্তু মাঝ খানে কিছুটা ব্যথিত হলাম ভাই।

প্রকৃতির চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি দিয়ে শুরু করেছেন, যদিও দৃশ্যগুলো পরিচিত কিন্তু তবুও একটা আকর্ষণবোধ অনুভব করেছি, আপনার বন্ধুর দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করছি। ধন্যবাদ

ঠিক বলেছেন ভাই,,, আমাদের কাছে তো এই দৃশ্যগুলো খুবই চেনা পরিচিত। কিন্তু ভালোলাগা কখনোই শেষ হয়না ।
বিষয়টা অদ্ভুত সুন্দর।

প্রথমে আপনার ছোট ভাইকে সুস্থতা কামনা করছি। আসলে বাইক এক্সিডেন্ট খুবই মারাত্মক অনেক বড় কিছু ক্ষতি হতে পারতো। যাই হোক আল্লাহ কাছে শুকরিয়া অল্পের মধ্যে দিয়ে পার হয়ে গিয়েছে। ফসলের মাঠ মাঠের ভিতরে সরু রাস্তা বেশ ভালো লাগে আমার ।তবে এই রাস্তাটি আরও বেশি ভালো লাগতো যদি চারপাশে কাঁচা ধানের গাছ থাকতো ।কাঁচা ধানের ভিতর মধ্য দিয়ে রাস্তা দৃশ্যটি মনোরম ছিল ।আপনার এলাকায় দেখি আখ ও চাষ হয়। আমাদের জন্য আপনি সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন । আপনি অনেক পরিশ্রমী ব্যক্তি ভাইয়া ।আমাদের সাইফুল ভাইএর জন্য শুভকামনা রইল ।তার ব্যবসায় সফলতা কামনা করছি।

রাস্তার দুই পাশে সবুজ ধানের অনেকগুলো ছবি আমার কাছে আছে । সেটি আমি একটা পোস্টে শেয়ার করব চিন্তা করে রেখেছি।

সাইফুল ভাইয়ের ওই পার্সেলটা আজকে রিসিভ করেছি। মাত্রই পোস্টটি করে আসলাম ।

আমাকেও দেওয়ার কথা আছে তবে ফ্রি তে 😆

🥳🥳🥳

সাইফুল ভাইয়ের মন-মানসিকতা খুবই ভালো। আমাকেও উপহার দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এটা ওনার বিজনেস তো এজন্য ওইভাবেই নেইনি।
উনি খুব সংগ্রামি একজন মানুষ।

হ্যা ভাইয়া আমিও না করেছি ।বলেছি আপনার বিজনেস ।নো কম্প্রোমাইজ ইউথ বিজনেজ ।তাই বলছি ।

একদম ঠিক বলেছেন। বিজনেসের ক্ষেত্রে নো কম্প্রোমাইজ।

সময়ের গতি বহমান। চলে বটে, তবে তার ইচ্ছে মত। যেমনটা আপনাকে থামিয়ে দিল। দেখেন আবার কালকে আপনাকে কিভাবে সহযোগিতা করে। তারপরেও দেখে শুনে সময়ের পিছনে হাটতে হবে। প্রকৃতির দৃশ্য আমাকে সবসময় আকৃষ্ট করে। আপনার ছবি গুলোও তার ব্যাতিক্রম নয়।