কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল।

in hive-129948 •  5 months ago 

Polish_20220108_102725400.jpg

কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল। প্রায় প্রতিটা বাঙালির ঘরেই এই তরকারিটি রান্না হয়।অনেকে এই খাবারটি খেতে পছন্দ করে আবার অনেকে পছন্দ করে না। কিন্তু এই তরকারিটি এভাবে রান্না করে খেলে আশা করি সবারই পছন্দ হবে।ফুলকপি শীতকালীন সবজি।সেইসাথে কুমড়ো বড়ি ও শীতকালে খুবই জনপ্রিয়। তাই শীতকালে এই কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোলের তরকারি এবং সাথে গরম ভাত খেতে অনেক মজা লাগে।তাহলে চলুন কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল রেসিপিটি আপনাদের সাথে শেয়ার করি।

উপকরণ সমূহ :
১.ফুলকপি

1641612870641-01.jpeg

২.মাছ।

1641612802314-01.jpeg

৩.কুমড়ো বড়ি

1641612854447-01.jpeg

৩.পেঁয়াজ বাটা,মরিচ বাটা,জিরা বাটা

1641612893497-01.jpeg

৪.লবন,হলুদ, ধনিয়ার গুঁড়া, লাল মরিচের গুড়া।

৫.সরিষার তেল।

প্রস্তুত প্রণালী :

প্রথম স্টেপে শুকনো কড়াইয়ে জিরা ভাজি করে নামিয়ে নিতে হবে।তারপর সেই কড়াইয়ে সরিষার তেল দিয়ে কিছু পেঁয়াজ এবং রসুন ভাজি করতে হবে।এই দুইটা জিনিস মিক্সড করে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

1641612768296-01.jpeg

এখন ধুয়ে রাখা মাছ গুলো লবন, হলুদ,এবং মরিচের গুড়া লাগিয়ে ভালো করে ভাজি করতে হবে।

1641612941879-01.jpeg

তারপর হালকা তেল দিয়ে কুমড়ো বড়ি গুলোও হালকা লাল করে ভেজে নিতে হবে।সেইসাথে ফুলকপি গুলোও লবণ হলুদ দিয়ে হালকা ভেজে নিতে হবে।
1641612834496-01.jpeg

1641612751126-01.jpeg

এরপর কড়াইতে আরো কিছু তেল দিয়ে বাটা মশলা গুলো এবং গুড়া মশলা গুলো দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। মশলাগুলো কষানোর পর ভেজে রাখা ফুলকপি দিয়ে এবং পরিমানমতো পানি দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে।

1641612699428-01.jpeg

কষানোর পর হালকা গরম পানি দিয়ে পানি উতলানোর পর ভেজে রাখা মাছ এবং বড়ি দিয়ে কিছুক্ষণ জাল করে নিতে হবে।

1641612785365-01.jpeg

তারপর তরকারি নামানোর কিছুক্ষন আগে ভাজা জিরা এবং পেঁয়াজ, রসুন বাটা দিতে হবে। এই পর্যায়ে যদি তরকারিতে লবন কম মনে হয় তাহলে লবন দিতে হবে। তারপর কিছুক্ষন পর নামিয়ে নিলেই রেডি কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল।

1641612681553-01.jpeg

1641612818819-01.jpeg



JOIN WITH US ON DISCORD SERVER

banner-abb4.png

Follow @amarbanglablog for last updates


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

ফুলকপি দিয়ে মাছ আমি অনেকবারই চেয়েছি এবং এটি অনেক সুস্বাদু একটি রেসিপি। আর আপনি এই রেসিপিটি খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করেছেন এবং উপস্থাপনা ও ঠিকঠাক ছিল দেখে অনেক ভালো লাগছে।

কুমড়ো বড়ি আমি কখনে খাই নি।আমি দেখেছি উওর বঙ্গের মানুষেরা অনেক খাই এবং অনেক মজা নাকি।আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে রান্না করতে পারবো।ধন্যবাদ।

কুমড়ো বড়ি আমার কাছে মোটামুটি ভালো লাগে। খুব একটা ভালো লাগে না। তবে আমাদের এদিকে অনেকেরই দেখি প্রচন্ড প্রিয় এটি।

খুবই মজাদার একটি রেসেপি শেয়ার করেছেন। ফুলকপি ও কুমড়ো বড়ি দিয়ে মাছের ঝোল খেতে খুবই মজাদার। আপনার রান্নাটা খুবই লোভনীয় লাগছে ভাই।

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।

শীতের দিনে বড়ি খাবার রেওয়াজ আবহমান বাংলায় যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য বড়ি ব্যবহার করা হয়। আপনার করা কুমড়ো বড়ি দিয়ে ফুলকপি মাছের ঝোল অনেক সুন্দর হয়েছে। যদিও আমার এখনো কুমড়ো বড়ি খাওয়া হয়নি। পোস্ট দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ ভাই একটা আনকমন রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য

হ্যাঁ ঠিক বলেছেন। কুমড়ো বড়ি জনপ্রিয়তা অনেক আগে থেকেই।

ফুলকপি আমার খুবই পছন্দের। শীতের মৌসুমে আমি প্রচুর ফুলকপি দিয়ে সবজি রান্না করি। ফুলকপি দিয়ে যেকোনো কিছু কান্না করলে আমার ভাল লাগে। খেতেও অনেক তৃপ্তি পাই। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।

শীতের সিজনের প্রথম দিকে ফুলকপি খেতে আমার বেশি ভালো লাগতো।

মাছ খেতে খুব একটা পছন্দ না করলেও কুমড়ো বড়ি এবং ফুলকপি এই দুটোই আমার খুবই প্রিয়। রান্নাটা তো জমিয়ে করেছেন দেখছি। কিন্তু সত্যি করে বলুন তো দাদা, আপনি করেছেন নাকি আমাদের বৌদির হাতের ছোঁয়ায় এত সুন্দর হয়েছে পুরো আয়োজন টা? 🥰🤔😉

🤭🤭🤭
আমি তো শুধুমাত্র হেল্প করেছি। রান্নাটা তো সেই করেছে। 😁

কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল নামটা যেমন দারুন খেতেও মনে হয় দারুন ছিল। তবে ভাইয়া আপনার রেসিপি টা দেখে জিভে জল চলে এসেছে। কুমড়ো বড়ি আমি আপনার পোস্টে দেখেছি এবং আজকে আপনাকে রান্না করতে দেখছি। আমি এটা কখনো দেখিনি এবং কখনও খাওয়া হয়নি এটা আমার কাছে খুব ইউনিক একটা রেসিপি। আপনি অনেক সুন্দর করে আপনার রেসিপি ধাপগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার রেসিপি কালারটা ছিল দারুণ যা দেখে রীতিমতো জিভে জল পড়ে যাচ্ছে। আমাদের সাথে এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা।

আমাদের এদিকে এটি খুবই কমন। শীতের সময় প্রায় প্রত্যেকটা বাড়িতে এই কুমড়ো বড়ির তরকারি রান্না হয়।

ওয়াও অনেক সুন্দর আপনার কুমড়ো বড়ি ও ফুলকপি দিয়ে মাছে ঝোল। দেখে মনে হচ্ছে অনেক স্বাদ হয়েছে। অনেক সুন্দর ভাবে তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

সুমন ভাই এতদিন মনে হতো রান্নার ক্ষেত্রে এই কমিউনিটিতে মেয়েদের আধিপত্যই বেশি কিন্তু এখন মনে হচ্ছে ছেলেরাও কোনো অংশে কম যায়না। এত কাজ করার পর রান্নার সময় কখন পান ভাবতেই অবাক লাগে। অসাধারণ হয়েছে আপনার এই রেসিপিটি। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

কুমড়ো বড়ি দিয়ে মাছের রান্নাটা আমার অনেক পছন্দের ভাইয়া। অনেক সুন্দর হয়েছে রেসিপিটি।তবে কয়একটি কাচা মরিচ উপরে দিলে রেসিপিটি অনেক লোভনিয় ভাব নিত।ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা

দাদা কুমড়ো বড়ি ও ফুলকপি আমার খুব প্রিয়। কিন্তু মাছ খেতে আমার ভালোলাগে না। কিন্তু মাছ দেখতে খুব ভালো লাগে।আর কুমড়ো বড়ি ও ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল তো অসাধারন লাগে।দাদা রান্নাটা তো দারুন করেছেন। মাছের ঝোলের কালার টি অনেক সুন্দর হয়েছে।তবে ভাইয়া এতে নিশ্চয়ই বৌদির হাতের ছোঁয়া আছে। কারণ বৌদির ছোঁয়া না থাকলে তো এত সুন্দর হবে না।

বৌদি আমার অবস্থাও তো প্রায় আপনার মতই। আমি মাছ ধরতে খুবই পছন্দ করি। আমার ভীষণ ভালো লাগে। কিন্তু মাছ খাওয়ার বেলায় হাতেগোনা কিছু মাছ ছাড়া আমি খাইনা।

বৌদির ছোঁয়া না থাকলে তো এত সুন্দর হবে না।

রান্নাটা ওই করেছে। আমি শুধু হেল্প করেছি। 🤭😁

কুমড়ো বড়ি ও মাছের ঝোল খেতে খুবই ভালো লাগে। এর সাথে আবার ফুলকপি দিয়েছেন। অনেক মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। কুমড়ো বড়ি আমার খুবই প্রিয়। মাছ দিয়ে কুমড়ো বড়ি খেতে খুবই ভালো লাগে। অনেক মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

কুমড়ো বড়ি এটা আমি কখনো দেখিনি। আপনার কাছে প্রথম দেখলাম। এটার স্বাদ কেমন সেটাও জানিনা কিন্তু আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে এটা খুব সুস্বাদু একটি রেসিপি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার কাছ থেকে নতুন রেসিপি শিখলাম। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ভাইয়া।

কুমড়ো বড়ি তো আমাদের এদিকে ভিশন জনপ্রিয়। সবাই খেতে পছন্দ করে। শীতের সময়ে প্রায় প্রত্যেকটা বাড়িতে কুমড়ো বড়ি দিয়ে তরকারি রান্না করতে দেখা যায়।

শীতকাল এলেই কুমড়োর বড়ি তৈরি করতে দেখা যায়। কুমড়োর বড়ি তৈরি করে সকলে সংরক্ষণ করে রাখে। কুমড়ো বড়ি খেতে সবাই কম বেশি পছন্দ করে। কুমড়োর বড়ি ও ফুলকপি দিয়ে মাছের রেসিপি অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া। আপনার রেসিপি তৈরীর পদ্ধতি ও কালার দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। কুমড়ো বড়ি দিয়ে অনেক মজাদার ও লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।

আপনার কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল রেসিপিটা খুবই অসাধারণ হয়েছে। আমার দেখেই জিভে জল চলে এসেছে। ফুলকপি আমারও খুব ফেভারিট। আপনি খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে তুলে ধরেছেন কিভাবে কুমড়ো বড়ি আর ফুলকপি দিয়ে মাছের ঝোল তৈরি করতে হয়। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

IMG_20220106_113311.png

2FFvzA2zeqoVJ2SVhDmmumdPfnVEcahMce9nMwwksSDdRvRmybykqUvU4Qriq94s5bwFrDmYZdJgD7bRoaeK4aoq8pZoLdUPeYZ5Pb1dEejRZxkf2Knu1XeHbi1jU.png

কুমড়ো বড়ি দিয়ে ফুলকপি মাছের ঝোল খুবই জনপ্রিয় একটি তরকারি এবং এগুলো বাড়িতে প্রায়ই রান্না হয়ে থাকে এবং দারুন লাগে খেতে শীতকালের সময়। খুবই ভালো লাগে এবং প্রতিটি ধাপ আপনি দারুন ভাবে উপস্থাপনা করেছেন ভাইয়া। দারুন ছিল


IMG_20220106_113311.png

কুমড়ো বড়ি আমি অনেকবার খেয়েছি এটি খেতে খুবই সুস্বাদু সেইসাথে অনেক পুষ্টিকর। আমার আম্মু এই শীতে ২ মই কুমড়ো বড়ি গিয়েছিলেন আমিও সাথে ছিলাম। এই বড়ি নানানভাবে খাওয়া যায় তবে বড়ি ফুলকপি এবং মাছ একসাথে রান্না করলে খেতে আসলেই অনেক মজাদার লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া এমন সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

ফুলকপি আমার খুবই পছন্দের এমটি সবজি। যে কোন মাছের সাথে ফুলকপি ঝোল করে রান্না করলে ভালোই লাগে। আর সত্যি বলতে আমি কখনো এই কুমড়ো বড়ি খাই নি। তবে আপনার পোস্ট দেখে খুবই খেতে ইচ্ছে করছে। সব মিলিয়ে দারুণ ছিলো ভাইয়া।
ধন্যবাদ ভাইয়া এতো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের উপহার দেয়ার জন্য।

ভাইয়া আপনার তরকারির রং টি সত্যি অসাধারণ হয়েছে। দেখে কিন্তু আমার সত্যি সত্যিই খেতে ইচ্ছে করেছে। কুমড়ো বড়ি ও ফুলকপি দিয়ে দারুণ সুস্বাদু একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপনি। দেখে লোভ সামলানো যাচ্ছে না ।প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। প্রতিটি জিনিস আপনি আগেই ভেজে নিয়েছেন যে টি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে ।ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।

কুমড়ো বড়ি এবং ফুলকপি দিয়ে আপনি অনেক চমৎকার ভাবে একটি মজাদার এবং লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের সকলের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনার তৈরি এই রেসিপিটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু এবং লোভনীয় হয়েছিল। মাছ রান্নার মধ্যে কুমড়ো বড়ি মিশ্রন করলে সেই রেসিপিটি খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। বিশেষ করে শীতকালে কুমড়ো বড়ির আলাদা একটা স্বাদ পাওয়া যায়। এত মজাদার এবং লোভনীয় একটু রেসিপি আমাদের সকলের মাঝে চমৎকারভাবে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

কুমড়োর বড়ি দিয়ে ফুলকপি মাছের ঝোল দেখতে তো সেই লোভনীয় লাগতেছে । তবে কুমড়ো বড়ি তেমন খাওয়া হয় না । তবুও দেখে মনে হচ্ছে খুব মজাদার হয়েছে । এবার খেয়ে দেখতে হবে রান্না করে । ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর ঝোল রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ।

অসাধারণ রেসিপি তৈরি করেছেন ভাইয়া, আসলে কুমড়ো বড়া নাম শুনেছি। এখনো দেখি নাই,খাইও নাই। এটি কেমন খেতে আসলে আমি সেটা চিন্তা করি। তবে আপনার রেসিপিটি অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া। ফুলকপি আমার খুব পছন্দের একটি সবজি।

কুমড়ো বড়ি অর্থাৎ চাল কুমড়ার বড়ি আমি অনেকবার খেয়েছি। চাল কুমড়ার বড়ি খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে এবং খুবই পুষ্টিসমৃদ্ধ। কুমড়া বড়ি আসলে শীতকালে তৈরি করা হয়ে থাকে। আমরা এই শীত মৌসুমে মোট 3 মই কুমড়ার বড়ি দিয়েছি। ফুলকপি ও মাছের সাথে চাল কুমড়ার বড়ি রান্না করলে তরকারিটা খেতে অনেক মজা লাগে। একটি লোভনীয় রেসিপি উপহার দেয়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

আপনি খুব সুস্বাদু রেসিপি করেছেন, আমি এটা করতে চেষ্টা করবে মনে