ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস || ১০% বেনিফিশিয়ারি shy-fox এর জন্য

in hive-129948 •  2 months ago 
"আজ মঙ্গলবার - ১২ই আশ্বিন - ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ২৭সেপ্টেম্বর - ২০২২ খ্রিস্টাব্দ"

মার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর ভাই ও বোনেরা, মুসলিম ভাই ও বোনদের জানাই আসসালামু আলাইকুম। সনাতন ধর্মালম্বী ভাই ও বোনদের জানাই আদাব এবং অন্যান্য ধর্ম অবলম্বনকারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।

Picsart_22-09-26_18-21-26-405.jpg

আজ আবারো ফিরে আসলাম আপনাদের মাঝে নতুন একটি রেসিপি পোস্ট নিয়ে। আজকে আমি আপনাদেরকে চট জলদি ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস তৈরি করে দেখাবো। তার আগে আমি আপনাদের সাথে কিছু কথা আলাপ-আলোচনা করতে চাই। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন সকল প্রকার সবজি অথবা ফলমূলের একটা করে সিজন থাকতো। আর সেই সিজনেই দেখা যেত বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফলমূলের সমারোহ। সিজন শেষ হয়ে গেলেই আর সেই সবজি অথবা ফলমূলের পাত্তা পাওয়া যেত না। কিন্তু এখনকার সময় দাঁড়িয়ে কোন প্রকার সিজনের আশা করতে হয় না। সিজন ছাড়াই হর হামেশাই সব ধরনের ফলমূল অথবা সবজি কিনতে পাওয়া যায়।

তরমুজের এই সিজনে আমার ছেলে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ খেয়েছে। তরমুজ তার একটি প্রিয় ফল। কোথাও কখনো তরমুজের নাম শুনলেই সে ভীষণ বায়না ধরে খাওয়ার জন্য। আমি ভেবেছিলাম তরমুজের সিজন তো শেষ এখন আর ছেলের বায়না পূরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু সেদিন আমাদের রংপুর বিভাগে গিয়েছিলাম বিশেষ একটি কাজে। আর সেখানে গিয়ে পৌর বাজারে ঢুকতেই চোখের সামনে পেয়ে গেলাম টাটকা টাটকা তরমুজগুলো। আমিও মনের আনন্দে সেই টাটকা তরমুজ কিনে নিয়ে এলাম আমার ছেলের জন্য।

বাসায় এসে তরমুজটিকে যখন আমার ছেলের সামনে তুলে ধরেছি তখন আমার ছেলে সেই তরমুজটি দেখে ভীষণ খুশি হয়েছিল। তার হাসিমাখা মুখ যেন সর্বদাই আমার কাম্য। যখনই সে তরমুজটিকে দেখেছে, তখনই তরমুজের জুস খাওয়ার জন্য বায়না ধরে বসলো। যদিও বা বাসায় বিট লবণ ছিল না তবুও ছেলের বায়নার জন্য হাতের কাছে যা ছিল তাই দিয়ে চট জলদি ইয়াম্মি টেস্টের জুস তৈরি করে দেয়া হয়েছিল। আর চট জলদি কিভাবে এই তরমুজের জুস রেসিপি তৈরি করা হয়েছিল তা আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি।

TZjG7hXReeVoAvXt2X6pMxYAb3q65xMju8wryWxKrsghkPu9GeMSmoUEZhF7e8ybxjzW2V7SfHpdazuSFrfL8L5qXnYBPCExPv4ysKR4zPgv1LUiXYjQUwrRiFdCMrRbe6Qjhaj3H9A7rE.png

ক্রমিক নংউপকরণপরিমাণ
তরমুজ২৫০ গ্রাম
চিনিস্বাদমতো
গুঁড়াদুধপরিমান মতো
লবন১ চিমটি

IMG-20220513-WA0000.jpg

" ধাপ : ১ "

IMG_20220926_160740.jpg

IMG_20220926_161010.jpg

বাজার থেকে তরমুজ সংগ্রহ করে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর উপরে দেয়া চিত্রের মতো তরমুজ টিকে ছোট ছোট আকারে টুকরো করে কেটে নিতে হবে।

" ধাপ : ২ "

IMG_20220926_161049.jpg

এবার ব্লেন্ডার মেশিনটি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

" ধাপ : ৩ "

IMG_20220926_161131.jpg

এবার কেটে নেয়া তরমুজের টুকরো গুলো ব্লেন্ডার মেশিনে ঢেলে দিতে হবে।

" ধাপ : ৪ "

IMG_20220926_161320.jpg

এবার তরমুজের টুকরো গুলো ব্লেন্ডার মেশিনে ঢেলে দেয়ার পর, স্বাদমতো চিনি তরমুজের উপর ঢেলে দিতে হবে।

" ধাপ : ৫ "

IMG_20220926_161416.jpg

এবার স্বাদমতো চিনি তরমুজের উপর ঢেলে দেয়ার পর, পরিমাণ মতো গুঁড়ো দুধ ও এক চিমটি লবন ঢেলে দিতে হবে।

" ধাপ : ৬ "

IMG_20220926_162917.jpg

এবার গুঁড়ো দুধ ও লবন ঢেলে দেয়ার পর, সামান্য পরিমাণ পানি ঢেলে দিতে হবে।

" ধাপ : ৭ "

IMG_20220926_172502.jpg

এবার পরিমান মতো পানি ঢেলে দেয়ার পর, ব্লেন্ডার মেশিনটির সাহায্যে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

" ধাপ : ৮ "

IMG_20220926_172604.jpg

এবার ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নেয়ার পর, ছাকনির সাহায্যে ভালোভাবে ছেকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস রেসিপিটি।

" ধাপ : ৯ "

IMG_20220926_180918.jpg

এবার আপনার মনের মতো করে সাজিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস।

আশা করি আমার তৈরি ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস রেসিপি পোস্টটি আপনাদের কাছে অনেক অনেক ভালো লেগেছে। ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই অবশ্যই আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন। আজ আর নয়, দেখা হবে আগামীতে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে।

TZjG7hXReeVoAvXt2X6pMxYAb3q65xMju8wryWxKrsghkPKDYqZPTyz3HQnPBAZYA84k8k89ixkhuUsFjZkgWkC1gjU36M1oU8J7FbJUoPMtjB5EHLD1usXZox8d6boJGJdTa7jANjx37k.png
আমি মোঃ মাহবুবুল ইসলাম লিমন। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি। বাংলা ভাষা আমার মাতৃভাষা। আমি এই অপরূপ বাংলার কোলে জন্ম নিয়ে নিজেকে অনেক অনেক গর্বিত মনে করি। এই বাংলায় আমার ভালো লাগে, বাংলায় চলতে, বাংলায় বলতে, বাংলায় হাসতে, বাংলায় গাইতে, বাংলায় শুনতে, আরো ভালো লাগে এই অপরুপ সুন্দর বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে হারিয়ে যেতে দিতে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমাকে সহযোগিতা করবেন। আমি যেন আগামীতেও আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হতে পারি। সবাই পরিবারের সকল সদস্যকে নিয়ে ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। এই প্রত্যাশাই সর্বদা।

2N61tyyncFaFVtpM8rCsJzDgecVMtkz4jpzBsszXjhqan9xBEnshRDSVua5J9tfneqYmTykad6e45JWJ8nD2xQm2GCLhDHXW9g25SxugWCoAi3D22U3571jpHMFrwvchLVQhxhATMitu.gif

3q52Dkr5nBe3kDiHrk4F3qdzX6E5VuVcCcF7TDQDco37AUsMDxK7aJ1uasvrAaBSP6D1NgNuBSX2m.gif

3W72119s5BjVs3Hye1oHX44R9EcpQD5C9xXzj68nJaq3CeSsa63mzHQexuvWRDgxAQmHZjMKhFaYGe2ubQmiC33SnsVy3TGA7BbZJiqfXWxLCKhiShcGVU.png

" ধন্যবাদ সবাইকে "

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

রসালো ফল খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। তার মধ্যে তরমুজ অন্যতম।। আপনার প্রস্তুত করা জুস দেখে খুব লোভ হচ্ছে খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হয়েছিল।।
আপনার পোস্টটি দেখে মনে পড়ে গেল আমার ছোটবেলার কথা আমাদের বাড়ির পাশে একটি তরমুজ খেত ছিল আমরা বন্ধুরা মিলে সেখান থেকে মাঝে মাঝেই তর মুখ চুরি করে খেতাম 🤭🤭🤭

বাহ বেশ ভালো গল্প বললেন তো ভাইয়া, তরমুজ চুরি করে খাওয়া তাও আবার বন্ধুদের সাথে তাহলে তো এর মজাই আলাদা। খুব ভালো লাগলো আপনাদের তরমুজ চুরির গল্প শুনে।

সেই দিনগুলো আবারো ফিরে পেতে চায় মন বারবার সেই দিনগুলো এখনো মিস করি সারাক্ষণ সেই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া বন্ধুদের সাথে রাত-বেড়ার ঘোড়া বিভিন্ন মিশনে রাতে অভিযান চালানো হোক সেটা তরমুজ বা অন্যের মুরগি চুরি করা 🤭🤭🤭

Hello friend!
I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
image.png
please click it!
image.png
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

আমাদের এদিকে এখন আর তরমুজ পাওয়া যায় না। আপনার আজকে তরমুজের জুসটি দেখতে খুবই চমৎকার হয়েছে। তরমুজ খেতে আমার ছেলে মেয়ে ও খুব পছন্দ করে। অসময়ে আপনার তরমুজের জুস দেখে খুবই খেতে ইচ্ছে করছে। খুব সুন্দর করে আপনি তরমুজের জুস তৈরি করার প্রত্যেকটা ধাপ শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি জুস তৈরি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

এখনো অসময়ে প্রায় সব ধরনের ফলই পাওয়া যায় আর তাইতো তরমুজ পেয়ে আমার ছেলের জন্য ইয়াম্মি টেস্টের জুস তৈরি করতে পেরেছি। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

ঠিকই বলেছেন, এখন সিজন বলে কোন কথা নেই,এখন মোটামুটি সবই পাওয়া যায়।আামর কাছেও তরমুজ খেতে ভালোই লাগে।এভাবে উপকরন দিয়ে জুস বানালে খেতে আরো ভালো লাগে।ধন্যবাদ আপনাকে।

এভাবে সব উপকরণ দিয়ে জুস তৈরি করলে সত্যিই খেতে দারুন লাগে। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

আসলেই ভাইয়া এখন আর শাকসবজির কোন মৌসুম নেই।এইত গ্রীষ্মকালেও ফুলকপি আর বাধাকপি দেখলাম।তরমুজের জুস এমনিতেই অনেক রিফ্রেশিং হয়,আপনি যেভাবে বানিয়েছেন তাতে স্বাদ আরো বৃদ্ধি পাবে।ধন্যবাদ ভাই এমন একটি রিফ্রেশিং রেসিপি শেয়ার করার জন্য।

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, আমার পোস্টে এসে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

এভাবে আমার কখনো তরমুজের জুস খাওয়া হয়নি। কিন্তু তরমুজের জুস দেখে মনে হচ্ছে খুবই ভালো লাগবে খেতে। বিশেষ করে গরমের সময় খেতে ভীষণ ভালো লাগবে। আপনি ঠিকই বলেছেন সিজন বলে বলে কোন কথা নেই। চাইলে যে কোন মৌসুমি যে কোন জিনিস পাওয়া যায়।

আমরা যখন ছোট তখন এক সিজনের জিনিস অন্য সিজনে পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন অনেকটাই যুগের পরিবর্তণ এসেছে। ভাবতেও ভালো লাগে সিজন ছাড়া এখন সব ধরনের ফল পাওয়া যায়। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ

একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া এখন যেকোনো সবজি বা ফলই বার মাসই পাওয়া যায়। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যে সিজনের জিনিস সিজনেই খাওয়ার অন্যরকম একটি মজা। যদিও এখনকার তরমুজ সিজনের তরমুজের মতই ভালো লাগে। আমিও সেদিন খেয়েছিলাম। খুব ভালো হয়েছে যে আপনার ছেলের পছন্দের ফল এখন সারা বছরই খেতে পারবে। ছেলে তরমুজের জুস খাওয়ার বায়না করেছে জন্য আমরাও খুবই সুস্বাদু একটি তরমুজের জুসের রেসিপি দেখতে পেলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।

ঠিক বলেছেন আপু, আমার ছেলের প্রিয় ফলটি এখন সিজন ছাড়াই পাওয়া যাবে আর তাই মাঝে মাঝেই তাকে ফলের জুস তৈরি করে খাওয়াতে পারব। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

image.png

তরমুজের জুস অনেক সুন্দর এবং যত্ন সহকারে করেছেন তা আপনার পোস্টটি দেখেই বুঝতে পেরেছি। তরমুজের জুস টি দেখে মনে হচ্ছে অনেক টেস্টি এবং মজাদার ছিল। এখনই এই তরমুজের জুস খেতে ইচ্ছে করছে। এত সুন্দর একটি ডাই পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।

আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ, আমার পোস্টে এসে সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

আপনি অনেক সুন্দর ভাবে তরমুজের জুস তৈরি করেছেন। যেটা দেখেই খেতে ইচ্ছা করতেছে। সুন্দরভাবে তৈরি করা পাশাপাশি ধাপগুলো অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন।
আপনার জন্য শুভ কামনা রইল

ঠিক বলেছেন ভাই, এরকম ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস দেখলে আমারও ভীষণ খাওয়ার ইচ্ছে হয়। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

এবার এই সিজনে আপনার ছেলে অনেক বেশি তরমুজ খেয়েছে। শুনে বেশ ভালই লাগলো। তবে আপনার স্পেশাল এই তরমুজের জুস আমার কাছে দারুন লেগেছে। আপনার ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস,, আমার প্রাণটা কে শীতল করে দিলো। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
♥♥

একদম সত্যি কথা আপু, আমার ছেলে এই তরমুজের সিজনে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ খেয়েছে তবুও যেন ওর তরমুজ খাওয়ার চাহিদা মেটাতে পারিনি। তাই হঠাৎ করেই তরমুজ ফলটি পেয়ে খুবই ভালো লেগেছিল। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

প্রচুর গরম পড়েছে এই গরমে এমন ঠান্ডা জুস হলে আর কিছু দরকার নেই। বাহিরে থেকে এসে এক গ্লাস জুস খেলে একদম শরীর মন সব ঠান্ডা হয়ে যাবে।আপনার জুস দেখে খুব খেতে ইচ্ছে করছে। জুস তৈরির ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার ঠান্ডা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।

ঠিক বলেছেন আপু, ঠান্ডা ঠান্ডা তরমুজের জুস হলে আর কিছু দরকার নেই। তবে এই জুস আমার ছেলের জন্য তৈরি করেছিলাম বলে আমি এখানে বরফ কুচি ব্যবহার করিনি। কেননা এমনিতেই ওর ঠান্ডা লেগেছিল তাই। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

বাহ খুব অসাধারণ ইয়াম্মি টেস্টের তরমুজের জুস বানিয়েছেন। সত্যি তো বুঝতে তো আমারও খুব ভালো লাগে। আপনি সত্যি বলেছেন এখন যে কোন ফল এবং সবজি সব সময় পাওয়া যায়। আপনি খুব সুন্দর করে আপনার ছেলের জন্য তরমুজটি নিয়ে আসলেন। আপনার ছেলে তরমুজ খুব পছন্দ করে বললেন। খুব সুন্দর করে তরমুজের জুস বানানো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।

সেদিন এই তরমুজের জুস খেতে সত্যিই অনেক অনেক মজার ও সুস্বাদু হয়েছিল। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

পছন্দ গরমে এই রকম এক গ্লাস জুস খেতে পারলে কলিজা ঠান্ডা হয়ে যেতো। আসলে তরমুজের জুস আমার খুব প্রিয়। আপনি খুব চমৎকার ভাবে জুস তৈরির প্রক্রিয়া শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।

তরমুজের জুস আমার ছেলের খুবই প্রিয় আর তাই মাঝে মাঝে খাওয়ার জন্য ভীষণ জেদ ধরে। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

অসময়ে তরমুজের জুস খেতে ভালোই লাগবে নিঃসন্দেহে।আপনি ঠিকই বলেছেন একসময় সিজনারী ফলগুলোর পাত্তা পাওয়া যেত না কারন সেই সময় সংরক্ষণ পদ্ধতি ছিল না।কিন্তু এখন সবসময় পাওয়া যায় এটা খুবই ভালো।আপনার ছেলে খেয়েও নিশ্চয়ই অনেক তৃপ্তি পেয়েছে।আমার মনে হয় গুঁড়া দুধ না দিলে তরমুজের জুস টুকটুকে লাল হতো।ধন্যবাদ ভাইয়া।

ঠিক বলেছেন আপু, গুড়া দুধের কারণে তরমুজের জুস টুকটুকে লাল হয়নি। তবে গুড়া দুধ ব্যবহার করলে তরমুজের জুস খেতে সত্যি অনেক অনেক মজার হয়। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

তরমুজ আমার পছন্দের একটি ফল। এই সিজনে তরমুজের জুস খাওয়া হয়েছে। কিন্তু গুঁড়ো দুধ এড করে তরমুজের জুস খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপি দেখে বুঝাই যাচ্ছে খেতে খুব মজা হয়েছে। আপনি প্রতিটি ধাপ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন।ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।

আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।