বৃষ্টি ভেজা গোধূলি বেলায় তালবান্ধায়।।১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২।।

in hive-129948 •  2 months ago 

IMG_20220916_173951.jpg

তালবান্ধায় এক গোধূলি বেলায়

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আমার পোস্ট লেখা শুরু করছি।আজকে আমি আপনাদের সাথে আজকে বিকেল এর কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে ভাগ করে নেবো।সামনে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গোৎসব।

সারাবছর অধীর আগ্রহে সবাই অপেক্ষায় থাকে এই পাঁচটা দিনের।মায়ের আগমনে সব কিছু মঙ্গলময় হয়ে ওঠে।দুঃখ অসুখ ভুলে মানুষ এই দিনটা তে ঘরে আনন্দের প্রদীপ প্রজ্বলিত করে।জানি সময় সর্বদা একরকম যায় না।জীবনে ওঠা পড়া থাকবেই।তাই তো মানব জীবন এতো দুর্লভ, এতো আকর্ষণীয়।

IMG_20220916_172746.jpg

IMG_20220916_172737.jpg

IMG_20220916_172732.jpg

বহুদিন পর আবার গেলাম নিউ ব্যারাকপুর এর তালবান্ধা জায়গাটিতে।এখানে আমি কি কাজে যাই মোটামুটি আপনারা যারা আমার ব্লগ অনুসরণ করেন সবাই জানেন।হ্যাঁ, হাঁস কিনতে গেছিলাম।আজকে কিছু কাজ ছিলো।বেশ কিছু মেডিসিন অর্ডার করার ছিলো এবং সন্ধ্যায় পুজোর শপিং।

তাই বিকেলেই বেরিয়ে পড়লাম।কাজ গুলো তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল তাই ভাবলাম যাই হাঁস কিনে নিয়ে আসি।আজকে বৃষ্টির দিনে একটু ভালো মন্দ খাওয়া যাক।তাই চলে গেলাম তালবান্ধায়।

IMG_20220916_173749.jpg

IMG_20220916_173644.jpg

IMG_20220916_172953.jpg

গিয়ে দেখি আজকে মাত্র তিনটি দোকান খোলা আছেন।কি আর করা তাদের মধ্যে থেকে একটি দোকান থেকে ৬৪০ টাকার বিনিময়ে দুটি হাঁস কিনে নিলাম।এরপর শুরু হলো হাঁস এর মাংস প্রসেসিং এর কাজ।গরম জলে হাঁস রেখে তার লোম ছড়ানো হয়।এরপর পুরো body তে হলুদ লাগিয়ে আগুনে একটু হালকা করে ঝলসিয়ে নেওয়া হয়।

IMG_20220916_174621.jpg

IMG_20220916_173758.jpg

এটা করলে হাঁসের মাংসের স্বাদ অনেকটা বেড়ে যায়।তবে এই কাজ বেশ কিছুটা সময় সাপেক্ষ এর ব্যাপার।অন্তত দুটো হাঁস ready করতে মোটামুটি ৪০ মিনিট সময় তো লাগবেই।তাই আমরা তিনজন পাশের একটা চায়ের দোকানে বসে একটু চা খেতে খেতে আড্ডা দিতে লাগলাম।

এরপর রাস্তায় নেবে দেখি চারিদিকে দারুণ পরিবেশ।তাই টপাটপ কিছু ফোটোগ্রাফি করে নিলাম।বৃষ্টি শেষে গোধুলি বেলার আকাশ এর সৌন্দর্য আসলেই অন্যরকম।চোখ জড়িয়ে যায় হৃদয় ভরে যায়।


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png


ধন্যবাদ।সবাই ভালো থাকবেন।

BoC- linet.png
-cover copy.png

|| Community Page | Discord Group ||


image.png

png_20211106_204814_0000.png

Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

কলকাতা গেলে এইবার তালবান্ধা যেতেই হবে দেখছি। বারবার এতো নাম শুনি। আমি নিশ্চিত হাঁস গুলো বেশ ভালো। আর যদি ছাড়িয়ে রেডি করে দেয় তাহলে আরো চিন্তা কমে যায়।

তালবান্ধা দেশি হাঁস এবং দেশি মুরগি কেনার জন্য সবথেকে উত্তম জায়গা। এক সময় আমি নিজেও সপ্তাহে অন্তত একবার গিয়ে ওখান থেকে মাংস কিনে নিয়ে আসতাম। এখন যেহেতু বাড়ির অধিকাংশ লোক নিরামিষভোজী হয়ে গেছে সে ক্ষেত্রে আর যাওয়া হয়ে ওঠে না খুব বেশি একটা। যেহেতু এখানকার অধিকাংশ হাঁস মুরগি গ্রাম থেকে আসে সুতরাং দামে কিছুটা সস্তা এবং জিনিসও খুব ভালো পাওয়া যায় ।গিয়ে দেখতে পারো নির্মাল্য দা। ঠকবে না এটুকু বলতে পারি।

সপ্তাহে একবার। উরিববাস। নিরামিষভোজী হয়ে যাওয়ার আসল কারণ। হাঃ হাঃ কলকাতা গেলে গিয়ে ঘুরে আসতেই হয়।

Thanks for everything

হাঁসের মাংস স্বাদে সেই। খেয়েছি অনেকবার। তবে আপনাদের প্রসেসিং এর বিষয়টা ভালো লাগলো দাদা। আমাদের এখানে তো মেশিনে দিয়ে দেয়, মেশিন থেকেই মোটামুটি প্রসেসিং হয়ে বের হয়। তবে একবার আপনাদের ওখানের মতন প্রসেস করে খেয়ে দেখবো।

দাদা ,কোন এক সময় নিউ ব্যারাকপুরের এই তালবান্ধায় আমি দুই সপ্তাহ পর পর যেতাম এই হাঁস কেনার উদ্দেশ্য নিয়েই। তারপর অনেক অনেক দিন কেটে গেছে আর এখানে যাওয়া হয় না। সময়ের সাথে খাদ্যাভ্যাসের কিছুটা পরিবর্তন চলে এসেছে তাই আর যাওয়া না। ওয়েদার খারাপের কারণে আজ হয়তো তিনটি দোকানই খোলা ছিল কিন্তু অন্যান্য সময় অনেকগুলো দোকান খোলা থাকে। আজ কম দোকান খোলা ছিল বলেই হয়তো তোমাদের কাছ থেকে এক একটি হাঁস ৩২০ টাকা করে নিয়েছে। আমি যখন এখানে হাঁস কিনতে যেতাম মোটামুটি ২৮০ টাকা করে নিয়ে আসতাম এক একটি হাঁস।

দাদা খুবই ভালো লাগলো আপনার হাঁস কেনার গল্পটি। এছাড়া গোধূলি বেলার ফটোগ্রাফি গুলো ছিল সেরকম । আরো ভালো লাগলো আপনি মাঝে মাঝে এখানে হাঁস কিনতে জান। আবার চায়ের দোকানে আড্ডায়ও বসেন।

হুম এর আগে তালাবাদ্ধা জায়গার নাম শুনেছি।আসলেই বৃষ্টির সময় হাঁস খাওয়া বেশ মজা,তবে হলুদ দিয়ে ঝলসালে যে টেস্ট বেড়ে যায় তা জানতাম না,আমাদের হলুদ ছাড়ায় ঝলসায়।

দাদা বৃষ্টির দিনে বাসায় একটু ভাল কিছু রান্না হলে ভাল লাগে। হাঁস কেনার জন্য অনেক দুর গিয়েছেন মনে হচ্ছে। কত ওজন হয়েছে জানিনা তবে ৬৪০ টাকার বিনিময়ে দুটি হাঁস মানে অনেক কমে পেয়েছেন, খুবই ভাল। আমাদের ঢাকায় কমপক্ষে ১০০০-১২০০ টাকা লাগবে ২ টা হাঁস কিনতে।

পুরো body তে হলুদ লাগিয়ে আগুনে একটু হালকা করে ঝলসিয়ে নেওয়া হয়।

এই প্রসেস টা আমার কাছে দারুন লেগেছে। আপনি
গোধুলি বেলার আকাশের অনেক সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন, অসাধারন। ধন্যবাদ দাদা।

দাদা খুব ভালো লাগলো গোধূলি বেলার আকাশ দেখে । আর বৃষ্টির দিনে ভুনা খিচুড়ি আর হাঁস খুবই ভালো লাগে খেতে । আপনি ত দেখছি হাঁস এর প্রসেসিং টাও জানেন । খুব ভালো লাগলো শুনে । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য । অনেক শুভকামনা দাদা আপনার জন্য ।

সম্ভবত অনেকদিন আগে দেখেছিলাম আপনি এই তালবান্ধা থেকে হাস মুরগি ক্রয় করে থাকেন। হাঁসের দাম দেখছি খুব একটা বেশি না ওখানে। এবং ঠিকই বলেছেন দাদা বাতাসে যেন পূজো পূজো গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।।

দাদা খুব সুন্দর কিছু বৃষ্টি ভেজা গোধূলি বেলার ফটোগ্রাফি করেছেন। দাদা আপনাদের ওদিকে দেখছি হাঁসের দাম তেমন একটা বেশি না। তবে আপনি কিন্তু ঠিকই বলেছেন হাঁসের গায়ে হলুদ লাগিয়ে আগুনে ঝলসালে হাঁসের মাংসের স্বাদ বেড়ে যায়। আমরাও হাসের গায়ে হলুদ লাগিয়ে আগুনের ঝলসি নেই। দাদার দেখছি হাঁস প্রসেসিং সম্বন্ধে ভালোই ধারণা আছে। ধন্যবাদ দাদা বৃষ্টি ভেজা গোধূলি বেলায় তালবান্দায় কাটানো মুহূর্তটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

ঠিক সন্ধে নামার আগে ধুম করে যদি এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যায় সেই মুহূর্তে আকাশটা সত্যিই একটা বর্ণিল রূপ নিয়ে নেয়। বড্ড মায়াবী একটা আভা ফেলে যায় সবার উপরে। এই মুহূর্তটা আমি নিজেও বেশ কয়েকবার অনুভব করেছি । অসম্ভব ভালো লাগে। হাঁসের মাংস খেতে মোটামুটি আমার নিজেরও ভালো লাগে। তবে বাড়িতে কেউ হাসের মাংস খায় না এজন্য আমারও খাওয়া হয়না। মাঝেমধ্যে হোটেলে বা বন্ধুদের সাথে পার্টিতে খাওয়া হয়। আর হ্যাঁ পুজোর গন্ধ চলে এসেছে। বাঙালির একটা বছরের অপেক্ষার পালা শেষ হবে এবার মাকে ঘরে বরণ করে নিয়ে।

দাদা আপনি আবারো তালাবান্ধা এ জায়গায় এসেছেন হাঁস কেনার জন্য। আজকে আপনি এসে দেখতে পেলেন প্রায়ই সব দোকান বন্ধ একটি দোকান খোলা। সেখান থেকে আপনি দুটি হাঁস কিনলেন ৬৪০ টাকা দিয়ে. আর এই হাঁস দুটি রেডি করতে ৪০ মিনিটের মত সময় লাগলো। যাই হোক হাঁসের মাংস আমার খুবই প্রিয়। আর আপনারও হাঁসের মাংস অনেক পছন্দ। হাঁসের মাংস খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে।আর বৃষ্টি দিনে হাঁসের মাংস খেতে আরও বেশি ভালো লাগবে।

জি দাদা আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা বাঙালি সনাতন ধর্মীয় হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গা পুজো ৷সব মিলে পাচঁ দিন আনন্দে কাটবে আশা করছি ৷বাকিটা ঈশ্বের কাছে ৷

দাদা একটা চমৎকার কথা বলেছেন!!
যে জীবনে ওঠা পড়া থাকবেই।তাই তো মানব জীবন এতো দুর্লভ, এতো আকর্ষণীয়।
সঠিক কথা দাদা মানব জীবনটা একটা খেলার ময়দান ৷ জয় পরাজয় সুখ দুঃখ থাকবেই ৷
যাই হোক তালবান্দায় হাসি কিনতে গেছেন ভালো ৷তবে দাদা বেশ কম দামেই পেয়েছেন ৷আমাদের এই দিক একটি কমপক্ষে ৪০০ টাকা করে ৷

হাঁস কিনতে গিয়ে শুধুমাত্র তিনটি দোকান খোলা ছিল। দুইটা হাঁসের দাম ৬৪০ টাকা হলে তো বেশ ভালোই হয়েছে।

গরম জলে হাঁস রেখে তার লোম ছড়ানো হয়।এরপর পুরো body তে হলুদ লাগিয়ে আগুনে একটু হালকা করে ঝলসিয়ে নেওয়া হয়।

এভাবে করলে সত্যিই খেতে ভীষণ মজা হয়। এই কাজগুলো করতে ৪০ মিনিটের মতো সময়ের প্রয়োজন। তার ফাঁকে দেখছি একটু চা খেয়ে নিলেন। সময়টা বেশ ভালই কাটিয়েছেন।

Hi @blacks,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.

Come and visit Italy Community

দাদা, সত্যি আমরা বাঙালীরা সারাবছর ধরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি পাঁচ টা দিনের জন্য। পুজো পাঁচ দিনের কিন্তু অপেক্ষা একটি বছরের। ব্যারাকপুর তালবান্ধাতে আপনি কি কাজে যান এই সম্পর্কে আমি অবগত নই তার কারন হলো দাদা এই কমিউনিটিতে আমি একেবারেই নতুন। হাঁস কেনা পরিস্কার করা খুবই ঝামেলার একটি কাজ কিন্তু হাঁসের মাংস খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। হাঁসের গায়ে হলুদ মাখিয়ে ঝলসানো হয় এটা প্রথম জানলাম, আমাদের এখানে এমনিতেই ঝলসানো হয় হলুদ ছাড়া। চায়ের দোকানে বসে আড্ডা সাথে কিছু ফটোগ্রাফি সবমিলিয়ে অসাধারণ ছিল আপনার পোস্ট টি দাদা। সুন্দর মুহুর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail


If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness




CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community



পুজোর তো আর বেশি দিন বাকি নেই। তোমার এদিকে শপিং হয়ে গেছে কিন্তু আমার এখনো অব্দি কোন শপিং হলো না। যখন আমি এখান থেকে দেশী হাঁস এবং দেশি মুরগি কিনতাম তখন খুব ভোরে যেতাম। ওই সময় খুব ভালো জিনিস গুলো পাওয়া যেত। কিন্তু বিকালের দিকে গেলে আসলে অত ভালো হাঁস বা মুরগি পাওয়া যায় না। আমি যখন ওখান থেকে জোড়া হাঁস কিনতাম তখন সেটা ৫৬০ থেকে ৫৮০ টাকার ভিতরে হয়ে যেত। তোমার থেকে ৬৪০ টাকা নিয়েছে মানে দাম কিছুটা বেড়েছে বোঝা যাচ্ছে।

দাদা এবার কিন্তু বেশ বহুদিন পরেই গেলেন সেই তালবান্ধা তে । এমনিতেই বৃষ্টির দিন সঙ্গে হাঁসের মাংসের ভুনা আর যদি খিঁচুড়ি থাকে সঙ্গে তাহলে তো কথায় নেই ।

আসলেই দাদা এটাই জীবন, কখনো গতিশীল আবার কখনো স্থির। হুম তালবান্ধা জায়গাটির সাথে কম বেশী আমরা সবাই পরিচিত হাঁস এর জন্য হি হি হি। তবে গরম জলে লোম পরিস্কার করার বিষয়টি আমাদের এখানেও আছে কিন্তু হলুদ মেখে তারপর আগুনে পুড়ার বিষয়টি একদমই নতুন মনে হলো। অবশ্য বাড়িতে আগুনে ছেকা দেয়া হয় কিন্তু হলুদ দিয়ে না। দেখি একবার পরীক্ষা করে দেখতে হবে বিষয়টি। ধন্যবাদ

চারিদিকে শুধু দুর্গাপূজার রমরমা রব শোনা যাচ্ছে, সত্যিই মানব জীবন দুর্লভ আবার ভীষণই আনন্দমুখর।দাদা আগেও তোমার পোষ্টের মাধ্যমে এই জায়গাটির নাম শুনেছি ও দেখেছি।যাইহোক বৃষ্টির দিনেই জমিয়ে খেতে বেশ মজা,তাছাড়া আমি একদিন আমার কাকাদের বাড়িতে দেখেছিলাম হাঁস আগুনে পোড়াতে।বৃষ্টির শেষ হওয়ার পরের দৃশ্য ভিন্ন রকমের অনুভূতি সৃষ্টি করে মনে।ধন্যবাদ দাদা।

পোস্টের টাইটেল দেখেই বুঝতে পেরেছিলাম ওখানে হয়তো হাঁস-মুরগি বা কিছু একটা কিনতে গেছেন। পোস্টে ঢুকে দেখি সত্যি তাই।

বেশি করে ঝাল দিয়ে হাঁসের কষা মাংস খেতে আমার দারুন লাগে। 🤤

প্রিয় দাদা, গোধূলি বেলার সময়টা সত্যি খুবই উপভোগ্য এবং দেখার মত সৌন্দর্যময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রিয় দাদা দুটো হাঁস ready করার ৪০ মিনিট সময়টুকু চায়ের দোকানে তিনজন মিলে নিশ্চয় দারুণভাবে আড্ডা দিয়েছেন এবং সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যের অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেছেন।

আপনার পোস্ট পড়ে খুব ভালো লাগলো আসলে গোধূলি টাইমে বৃষ্টির পরে আকাশের দৃশ্য এবং চারিপাশের দৃশ্য দেখতে বেশ ভালো লাগে এবং তার ফটোগ্রাফি করতে ভালো লাগে মাঝেমধ্যে ফটোগ্রাফি করে থাকি। আপনি তালাবাদ্ধার সুন্দর সুনাম তুলে ধরেছেন আমাদের মাঝে। আমরা বাংলাদেশের মানুষ হয়তো সেখানে যেতে পারবো না তবে আপনাদের পোস্ট পড়ে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারছি। আর হাসের মাংস সেটা তো আমার কাছে খুবই প্রিয়।

তালবান্ধায় হাঁসের দাম একটু কম মনে হচ্ছে।আমাদের এখানে একটি হাঁস কিনতেই ৪০০-৫০০ টাকা লাগে। অবশ্য সাইজের উপর দামটা নির্ভর করে।এপার বাংলাতেও দুর্গোৎসবের পাঁচটি দিন খুবই আনন্দের দিন।বৃষ্টির দিনে একটু ভালো খাওয়ার ইচ্ছে কম বেশি সকলেরই। বিশেষকরে তখন হাঁসের বা মুরগির মাংসের সাথে খিচুরি খেতে খুবই মজা লাগে।

বৃষ্টির দিনের হাঁসের মাংস খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম । আর তালবান্দা নামে যে জায়গাটি উল্লেখ করেছেন ওখানে মনে হয় সব দেশি হাঁস মুরগি পাওয়া যায়। দেশি হাঁস খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম। হুম এটা ঠিক হলুদ দিয়ে আগুনে পুড়ালে মাংসের সাদ অনেক বেড়ে যায়।

আপনার পোস্ট পড়ার কল্যানে তালবান্ধার নামটা বেশ পরিচিত হয়ে গিয়েছে। আর যখনই তালবান্ধার নাম শুনি সাথে হাঁসের একটা সংযোগ দেখতে পাই সব সময়। বৃষ্টির দিনে একটু ভালো-মন্দ খেতে ভালোই লাগে। যেমন বৃষ্টি হলে আমার খিচুড়ি আর ইলিশ খেতে ইচ্ছা করে। বাঙালি মাত্রই বৃষ্টি বিলাসী। আর বাঙালির যেকোনো কিছু উদযাপনে ভুরিভোজের একটা ব্যাপার জড়িত থাকে। আপনিও দেখছি তার ব্যতিক্রম নন। গোধূলি লগ্নের ছবিগুলো ভালোই তুলেছেন দাদা।

বৃষ্টির দিনে হাঁসের মাংস আহ্ শুনেই লোভ লেগে গেল। আমি নিজেও বৃষ্টির দিনে মাংস ও খিচুড়ি খেতে খুব পছন্দ করি। তালাবান্ধায় হাঁস পরিষ্কার করে হলুদ মেখে আগুনে ঝলসে রেডি করে দেয়ার ব্যাপারটি জেনে আশ্চর্য হলাম। কারণ আমাদের এদিকে এটা কল্পনাই করা যায় না। আর ঠিক এ কারণেই আমার এত পছন্দনীয় খাবারটি কম খাওয়া হয়। পরিষ্কার করা অনেক ঝামেলার কাজ। তালাবান্দায় হাঁস কিনতে গিয়ে খুব ভালো সময় কাটিয়েছেন। সাথে চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি। ধন্যবাদ আপনাকে।