চিত্তরঞ্জন পার্কে মাছ কিনতে একদিন।।১০ নভেম্বর ,বুধবার।।

in hive-129948 •  2 months ago  (edited)
IMG_20211108_135222.jpg

Pictures taken by Oneplus 7T device
Delhi CR park

হ্যালো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন।আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আজকে আমার পোস্ট লেখা শুরু করছি। বন্ধুরা প্রায় পনের দিন হলো আমি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে দিল্লিতে এসেছি।প্রাথমিকভাবে দিল্লিতে থাকার কথা থাকলেও পরে আমাকে যেখানে কাজ করতে হবে বা আমি যে উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে এসেছি ,সেই উদ্দেশ্যটা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত আমাকে পৌঁছাতে গাজিয়াবাদ।

BoC- linet.png


IMG_20211108_135610.jpg

IMG_20211108_135348.jpg


এই জায়গাটি দিল্লী থেকে ২৫ থেকে ৩০ মিনিটের পথ। তো পরের দিন সেখানেই চলে গেলাম তল্পিতল্পা গুটিয়ে।ওখানে একটু রেস্ট নিলাম এবং তার পরের দিন থেকে কাজ শুরু হবে। যেহেতু প্রথম দিন তাই দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম এক পাঞ্জাবী ধাবা থেকে।অবশ্যই তাদের সংস্কৃতির প্রতি সম্মান রেখে বলছি আমার মত বাঙ্গালীর কাছে তাদের খাবার একদম ভালো লাগে নি।তবে তাদের রান্নার পদ্ধতি যথেষ্ট স্বাস্থ্যসম্মত ছিলো।ভালো না লাগার অন্যতম প্রধান কারণ তাদের মসলা।আমরা বাঙালিরা যে সমস্ত মসলা খেয়ে অভ্যস্ত পাঞ্জাবীরা সেই সব একেবারেই ব্যবহার করেনা।

তাদের মসলা অন্যরকম একটু বেশি তীব্র এবং টক জাতীয় ।যাইহোক কোন ভাবে সেদিনটা পার করানো গেল। তো আমি যে এপার্টমেন্ট এ উঠেছি সেখানে যে ফ্ল্যাট টি আমাকে দেয়া হয়েছে সেটা full furnished।এখানে ফ্রিজ ও রয়েছে । সুন্দর একটি রান্না রয়েছে তাই চিন্তা করলাম যে বাজার করে রান্না করে বাঙালি খাবার খাব। কিন্তু এখানে একটি বিপদ দেখা দিল রান্নার সামগ্রী কোথায় পাবো?আমি এপার্টমেন্ট এর মালিককে জিজ্ঞাসা করলাম যে এখানে বাজার কত দূরে?তিনি বললেন মান্ডি কাছেই।


BoC- linet.png


IMG_20211108_135856.jpg

IMG_20211108_135854.jpg

IMG_20211108_135846.jpg


এরা আবার হিন্দিতে বাজার কে মান্ডি না ফ্যান্ডি কি একটা বলে।যাই হোক সে বলল সবজির জন্য বাজারে যাওয়ার দরকার নেই কারণ সকাল হলেই ভ্যানে করে সবজি ওয়ালা আসবে আর চিৎকার করবে সবজি লো সবজি লো।আর আমি উপর থেকে দো দো।পানীয় জলের ব্যবস্থা হলো স্থানীয় এক মুদির দোকান থেকে।

এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ালো মাছ কারণ আমরা হচ্ছে বাঙালি মাছে ভাতে বাঙালি ,মাছ ছাড়া আমাদের দিন যাবে এ ভাবাই একদম অসম্ভব। এখানে মোটামুটি মাংস পাওয়া যায় কিন্তু মাছের চল বলতে গেলে তেমন একটা নেই।সুপার মলগুলোতে মাংস পেলেও মাছ তেমন একটা পেলাম না।যা অল্প কিছু ছিলো তা কেনার মতন আর কি নষ্ট গোছের।

মাংস খেলাম কিছুদিন আর সময় অসময়ের বন্ধু ডিম তো আছেই।মোটামুটি আশা করা যায় ডিমের মতোই আকার নিয়ে নিজের বাড়িতে ফিরব।তো এখন কি করা যায় ,অনলাইন ডেলিভারি সংস্থা অনলাইন সুপার মার্কেট যাকে বলে বিগবাস্কেট এ মাছ অর্ডার করলাম কিন্তু মাছ গুলো একদমই স্বাদের না আর অত্যাধিক দাম তবুও বাঙালির আত্মার শান্তির জন্য মেনে নিলাম।

তাজ মাছগুলো খেয়ে পেট ভরলো ঠিকই কিন্তু মন ভরলো না।বেশ চিন্তায় পড়ে গেলাম যে বাঙালি মাছ ছাড়া কি ভাবে চলবে।এখানে এসে রেজওয়ান ভাই নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল।আমার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক হয়েছে লোকটির। মাঝেমধ্যে ওনার সঙ্গে আমি বেরিয়ে পড়ি আশেপাশে বেড়াতে।আমি তাঁকে জানালাম কোথায় ভালো মাছের মার্কেট আছে?উনি আমাকে জানালেন যে CR পার্কে (দিল্লী) গেলে সব পাওয়া যাবে।


IMG_20211108_140412.jpg

IMG_20211108_140053.jpg

IMG_20211108_135900.jpg


সি আর পার্ক একে আপনি একটা ছোট কলকাতা বলতে পারেন।দিল্লির মোটামুটি সব বাঙালীরা এখানেই বসবাস করে যারা দিল্লিতে কর্মরত। গতকালকে গিয়েছিলাম সি আর মার্কেট এ। বুঝতে পারলাম এটা আসলেই পুরো বাঙ্গালীদের আস্থানা ।

প্রত্যেকটা দোকান বাঙালির আর প্রত্যেককেই বাংলা ভাষায় কথা বলছে।এবং যে সকল শাকসবজি খাদ্য সামগ্রী দেখলাম সবই বাঙালি সংস্কৃতির এবং সবচেয়ে মজার ব্যাপার এখানে বেশ কয়েকটি মিষ্টির দোকান রয়েছে। যেটা কলকাতায় ঐতিহ্য বহন করে। আমার মনের হলো আসলেই এটি ছোট্ট কলকাতার ক্ষুদ্র সংস্করণ।

আমি অন্য কোথাও মনোযোগ না দিয়ে চলে গেলাম ফিস মার্কেটের ভিতরে। গিয়ে তো আমি অবাক, বিশাল ফিস মার্কেট বড় বড় মাছ হরেক রকমের।প্রত্যেক দোকানদারিই অত্যন্ত আন্তরিক এবং সুন্দর করে ব্যাখ্যা করে দিলো সব মাছের গুণাগুণ। আমার যে বিষয় টা সবচেয়ে ভালো লাগলো সেটা হলো অধিকাংশ মাছ ফ্রেশ দেখে বোঝা যাচ্ছে এবং মাছের দাম আমার কলকাতার থেকে বেশ কম।

আমার এলাকায় আমি যে সকল মাছ কিনে থাকি তার থেকেও এখানে দাম কম।আমি মনে মনে ভাবলাম হয়তো মাছ গুলো খেয়ে তেমন একটা ভালো হবে না তাই দাম কম। আমি কিনেছিলাম একটি দেড় কিলো ভেটকি, ছোট মৌরালা মাছ এক কিলো, হরিনা চিংড়ি এক কিলো ,বড় গলদা ১ কেজি ৩০০ গ্রাম,ছোট চিংড়ি ১ কিলো, রুই মাছ দেড় কিলো ,পাবদা এক কিলো আর ইলিশ একটি এক কিলোর একটু বেশি।


BoC- linet.png


IMG_20211108_152227.jpg

IMG_20211108_152134.jpg

IMG_20211108_140416.jpg


এই সব মাছ আমার এলাকায় মিনিমাম ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা লাগতো কিনতে কিন্তু আমি মাত্র ৩৮০০ টাকায় কিনতে পেরেছি।এরপর বাড়ি ফিরে এলাম বাড়িতে কিন্তু দুঃখের বিষয় বাড়িতে এসে মাছগুলা রান্না করতে পারি নি কারণ বাড়িতে এসে দেখি জল নেই।বাড়ির মালিক কে ফোন করে জানতে পারলাম যে মোটর নষ্ট হয়ে গেছে আজকে জল আর আসবে না।

আমার ইমার্জেন্সি কোনো ব্যাপার হলে রাত বিরেতে কি করবো এই চিন্তা করে ভদ্রলোক আমাকে ৫ লিটারের চারটি জলের বোতল উপহার দিলো।পরের দিন ভোরবেলা উঠে রান্না করে ফেললাম মৌরোলা মাছ আর ভেটকি মাছ এবং রাতে ইলিশ আর চিংড়ি।প্রত্যেকটি মাছ অনেক ফ্রেশ এবং সুস্বাদু ছিলো।

ধন্যবাদ।সবাই ভালো থাকবেন।

BoC- linet.png
-cover copy.png

|| Community Page | Discord Group ||


image.png

png_20211106_204814_0000.png

Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord

image.png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

দাদা ঠিক বলেছেন,বাঙালিরা মাছ ছাড়া এক বেলা চলে না।মাছে-ভাতে বাঙালি' এই কথা তো আমরা সবাই জানি।দাদা, আপনার লেখাটি পড়ে খুবই ভালো লেগেছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে তরতাজা মাছগুলো দেখে। দাদা, লেখার লাস্টে যখন পড়লাম তখন খুব মন খারাপ লেগেছে। কারণ পানি ছাড়া মানুষ একবেলা চলতে পারে না।সেই জায়গায় রাতে পানি আসবে না সকালবেলায় আসবে তো কিরকম বিরম্বনা পরেছেন লেখাটি পড়ে বুঝতে পেরেছি। তবে অনেক ভালো লেগেছে যখন পড়েছি আপনি সকালবেলা তরতাজা মাছগুলো রান্না করে খেয়েছেন।

ধন্যবাদ দাদা,এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।

এরা আবার হিন্দিতে বাজার কে মান্ডি না ফ্যান্ডি কি একটা বলে।

এইটা পড়ে ভাইয়া হাসতে হাসতে শেষ আমি। 🤣মাছ না পেয়ে তখন আপনার মান্ডি বা ফান্ডি কিছুই ভালো লাগছিলোনা তা ভালোই বুঝতে পারছি আমি।
তবে এতো মাছ ৩৮০০ তে পেয়েছেন এটা ভেবেই তো আমার অবাক লাগছে। আমাদের এদিকে গলদা চিংড়িই বলে ১৩০০ করে কেজি। বেশ ভালোই কিন্তু ওখানে।

ভাইয়া ফান্ডি মান্ডি কথাগুলো ভালো লাগলো। ভাই আপনার এই পোস্টটি পড়ে এক সপ্তাহের সেরা হাসি টাই হাসলাম আজ। ভাই আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

ঠিকই বলেছেন দাদা বাঙালিদের মাছ ছাড়া যেন একদিনও চলে না। এবং সি আর পার্ক যেন মিনি কলকাতা। কথাটা দারুণ লাগল। এবং এখানে সবাই বাংলাই কথা বলে সেটা শুনে দারুণ লাগল। এবং মাছগুলো তো খুবই ভালো ছিল ফ্রেশ লাগছে দেখে।

দাদা আশাকরি ভাল আছেন। প্রথমত যে লেখাটি পড়ে হাসি পেয়ে গেল সেটা হল ডিমের মত আকার নিয়ে বাড়ীতে ফিরবেন। হা হা হা। দাদা আমার মনে হয় মান্ডি শব্দটি পাঞ্জাবী , আমি সিওর না জাষ্টা আইডিয়া করলাম। মাছের বাজার তো দেখছি বিশাল। রুপ চাদাঁ মাছ গুলো দেখে মনে হল টাটকা।এই মাছটি মনে হয় কেনেন নি। ওখানেও দেখছি একি সমস্যা পানীর । যাই হোক সব মিলিয়ে সময় টা ভালই কেটেছে আপনার। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য। ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা রইল।

ওরে আল্লাহ এদেখিক মাছের কারখানা প্রচুর মাছ, অনেক অনেক ধন্যবাদ ব্লাক দাদা এত সুন্দর একটা মাছের বাজার আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

ঠিকই বলেছেন দাদা আমরা বাঙালিরা মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ ছাড়া আমাদের একটা দিনও চলে না। এত মাছের সন্ধান করার পরে আপনি শেষমেশ একটি বড় মাছের মার্কেট পেয়েই গেলেন। আর সবথেকে ভালো ব্যাপারটি হলো সেখানে মাছের দাম খুবই কম। আমাদের এদিকে এক কিলো ইলিশ মাছের দাম ১৩০০ টাকা। সেই হিসেবে আপনি ৩৮০০ টাকায় বিভিন্ন ধরনের অনেক ভালো ভালো মাছ কিনতে পেরেছেন এবং ছবিতে মাছগুলো দেখে ভালই টাটকা মনে হচ্ছে।

আহা, জীবন যেখানে যেমন। সুন্দর ছিল আপনার মুহূর্ত গুলো। অর্ধেক দামে মাছ, ব্যাপারটা তো বেশ ইন্টারেস্টিং। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইলো ভাইয়া।

সত্যি অবাক হলাম এত মাছ। মাছের হাট এইবারি মনে হচ্ছে। প্রতিটি মাছ দারুণভাবে তুলে করেছেন।

এদিকে মাছের যে দাম দাদা🥵ওতো মাছ তো এমনিতেও এভেইলেবল না,,যদিও পাওয়া যেত তাও ৮/৯ হাজার🙂
তা দিল্লি নাকি এখন ধূলার শহর😷?

ওরে বাবা,, কতো বড় ইলিশ, চাঁদা আর চিংড়ি মাছ, এমন চাঁদা আর চিংড়ি মাছ দেখেছিলাম কক্সবাজার ঘুরতে গিয়ে। যাইহোক, আপনার পোষ্ট গুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আপনি সবার থেকে আলাদা ভাবে লেখা লেখি করেন। পড়তে খুবই ভালো লাগে। খুবই মজা পাই দাদা। এমন সুন্দর সুন্দর পোষ্ট আরো চাই😃

দাদা মাছের সাইজ দেখে মনে হচ্ছে বাংলার ভিতরের বড়ো মাছগুলোও ওখানে চলে যায়।যাইহোক শেষমেস বাঙালী মাছের বাজার পাওয়া গিয়েছিল এবং স্বাদের ছিল এটাই শান্তি।তাছাড়া নতুন জায়গায় খাওয়ার বিষয়ে ভীষণ সমস্যায় পড়তে হয়।যাইহোক পাঞ্জাবি খাবার সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেলাম।ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো দাদা।

বাহ্ এখানে দেখছি অনেক রকমের মাছ আছে ,সত্যি কথা দাদা আমরা বাঙালি মানুষ ,বাঙালি মাছ না খেলে ভালো লাগেনা এটাই স্বাভাবিক ,হাহা মেন্ডি না ফেন্ডি কথা তা কিন্তু হাস্যকর ছিল, ভালো লাগলো দাদা আপনার মাছের বাজারের অভিজ্ঞতার কথা ,অনেক সুভ কামনা রইলো দাদা।

আর সময় অসময়ের বন্ধু ডিম তো আছেই।

এই লাইনটা পড়ে কিন্তু আমি বেশ হেসেছি। কারনটা হলো ব্যাচেলর জীবনে সবচেয়ে কাছের মনে হতো এই ডিমকে।

আর ইলিশটা সেই লাগছে, চিংড়ির কথা বেশী কিছু বলা যাবে না, না হলে এক বারিতে মাথা ফাটিয়ে দিবে, হা হা হা হা। জলের কষ্টের কথা শুনে হাসিটা থামিয়ে নিলাম।

ভাইয়া ঘুম থেকে উঠে আপনার পোস্টটা পরে খুব মজা পেলাম। আপনি খুব মজা করে পোস্টটি লিখেছেন।পোস্টটি পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম আপনি কখন আপনার মনের মত মাছ দিয়ে খেতে পারবেন। আসলেই কি খেতে পারবেন? শেষ মেষ ভালো লাগল যে আপনি আপনার মনের মত মাছ খেতে পেরেছেন।

মাছ মনে হয় এখন সোনার দাম ।ভাল বড় মাছ তো আমাদের এখানে দেখাই যায়না ।যদিও দেখা যায় দাম খুব হাকায় এরপর ধনী লোক আগেই ক্রপ দিয়ে রাখে ।সামুদ্রিক ভালো মাছ তো নাই বললেই চলে ।এতো দাম এতো কিছু সত্যেও ভাল মাছ দেখলেই সবাই হুমরি খেয়ে প্রতিযোগিতা করে কেনার জন্য । মাছের ছবি গুলো সুন্দর ছিলো ।ধন্যবাদ এতো সুন্দর বিষয় শেয়ার করার জন্য ।

আমরা হলাম মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ ছাড়া আমাদের এক বেলা খাওয়া চলে না। মাছ ভাত না খেলে খাওয়ার মধ্যে তৃপ্তি আসে না। যাই হোক আপনি আপনার অনেক ব্যস্ততার মাঝেও আপনার এই মুহূর্তগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন এটা দেখে খুবই ভালো লাগলো। তবে আপনি অনেক কষ্টে সেই মুহূর্তগুলো কাটিয়েছেন সেটা বোঝাই যাচ্ছে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

পুরো গল্পটা পড়লাম আর কিছু কিছু জায়গায় বেশ মজার কিছু ব্যাপার ছিলো, যা দেখে একা একাই হাসলাম।
সব থেকে বেশি মজা লেগেছে যখন কিনা সবজি বেচতে আসবে আর বলবে " সবজি লো সবজি লো"
আর আপনি উপর থেকে বলবেন দো দো 😂😂

যাই হোক অনেক দামেই মাছগুলো পেয়ে গেছেন ওইখানে বাংলাদেশ এ তো মাছের আর তরিতরকারির দাম শুনলে মাথা ঘুরে পরে যেতে ইচ্ছে করে 🥺